২৬/১৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩১৫৯ - কোরবানির গোশত জমা রাখার অনুমতি
কোরবানীর গোশত সঞ্চয় করে রাখা
কোরবানির গোশত জমা রাখা: নিষেধের কারণ ও পরের অনুমতি
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩১৫৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩১৫৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَابِسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ إِنَّمَا نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ عَنْ لُحُومِ الأَضَاحِيِّ لِجَهْدِ النَّاسِ ثُمَّ رَخَّصَ فِيهَا .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুর্ভিক্ষজনিত কারণে লোকেদেরকে কোরবানীর গোশত জমা করে রাখতে নিষেধ করেছিলেন এবং পরে আবার জমা করে রাখার অনুমতি দেন।
[৩১৫৯] মুসলিম ১৯৭১, তিরমিযী ১৫১১, নাসায়ী ৪৪৩১, ৪৪৩২, ৪৪৩৩, আবূ দাউদ ২৮১২, আহমাদ ২৩৭২৮, ২৪৪৪১, ২৪৬৯২, ২৫২২৩, মুয়াত্তা মালেক ১০৪৭, দারেমী ১৯৫৯, সহীহ আবু দাউদ ২৫০৩। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩১৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দুর্ভিক্ষজনিত কারণে লোকদের কোরবানির গোশত জমা করে রাখতে নিষেধ করেছিলেন। পরে আবার তা জমা করে রাখার অনুমতি দেন। এখানে কোরবানির গোশত সংরক্ষণ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য দেখা যায়। নিষেধটি স্থায়ীভাবে নয়, মানুষের কষ্ট ও অভাবের কারণে ছিল—এ কথা বর্ণনায় স্পষ্ট। পরে যখন অবস্থা বদলেছে, তখন অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাই এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, কোরবানির গোশত জমা রাখা বিষয়ে হাদিসের পূর্ণ বক্তব্য জানা জরুরি। শুধু নিষেধের অংশ শুনলে ভুল বোঝা হতে পারে, আবার অনুমতির অংশও হাদিসে এসেছে। কোরবানির গোশত ব্যবহারে দরিদ্র ও অভাবী মানুষের অবস্থাও বিবেচনার বিষয়। তাই কোরবানির গোশত নিয়ে সিদ্ধান্তে মানুষের প্রয়োজনের দিকটিও মনে রাখা ভালো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুর্ভিক্ষের কারণে কোরবানির গোশত জমা রাখতে নিষেধ করা হয়েছিল।
- পরে আবার কোরবানির গোশত জমা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
- হাদিস বুঝতে পুরো বর্ণনা জানা জরুরি, শুধু এক অংশ নয়।
