৩১/২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৭৯ - উম্মতকে হিজামার নির্দেশ দেওয়ার বর্ণনা
রক্তমোক্ষণ
উম্মতকে হিজামার নির্দেশ: মিরাজের রাতের হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৪৭৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৪৭৯
حَدَّثَنَا جُبَارَةُ بْنُ الْمُغَلِّسِ، حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ سُلَيْمٍ، سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «مَا مَرَرْتُ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِي بِمَلإٍ إِلاَّ قَالُوا يَا مُحَمَّدُ مُرْ أُمَّتَكَ بِالْحِجَامَةِ».
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মিরাজের রাতে আমি ফেরেশতাদের যে দলকেই অতিক্রম করেছি, তাঁরা আমাকে বলেছেন, হে মুহাম্মাদ! আপনার উম্মাতকে রক্তমোক্ষণ করানোর নির্দেশ দিন।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, মিরাজের রাতে তিনি ফেরেশতাদের যে দলকেই অতিক্রম করেছেন, তারা বলেছেন, হে মুহাম্মাদ, আপনার উম্মতকে রক্তমোক্ষণ করানোর নির্দেশ দিন। এখানে হিজামা বা রক্তমোক্ষণের বিষয়টি শুধু ব্যক্তিগত চিকিৎসা হিসেবে নয়, উম্মতের প্রতি নির্দেশনার ভাষায় এসেছে। তাই এই হাদিস হিজামার গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে। তবে ব্যাখ্যায় নির্দিষ্ট দিন, নির্দিষ্ট রোগ বা অতিরিক্ত পদ্ধতি যোগ করা উচিত নয়, কারণ এই বর্ণনায় সেগুলো নেই। হাদিসের কেন্দ্র হলো মিরাজের রাতে ফেরেশতাদের পরামর্শ এবং উম্মতকে হিজামার দিকে নির্দেশ করার কথা। এ কারণে এই হাদিসে হিজামা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে এসেছে, কিন্তু ব্যাখ্যা হাদিসের শব্দের মধ্যেই সীমিত রাখা নিরাপদ। এতে পাঠক হিজামার গুরুত্ব বুঝতে পারে, আবার অতিরঞ্জিত দাবি থেকেও দূরে থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হিজামার নির্দেশনা উম্মতের জন্য এসেছে।
- মিরাজের রাতে ফেরেশতাদের কথায় হিজামার গুরুত্ব বোঝা যায়।
- হাদিসে রক্তমোক্ষণকে চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- বর্ণনায় নেই এমন অতিরিক্ত নিয়ম যোগ করা উচিত নয়।
