৩১/২২. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৮৬ - হিজামার তারিখ নির্বাচন
কোন দিন রক্তমোক্ষণ করানো উচিত?
হিজামার তারিখ: ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখের বর্ণনা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৪৮৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৪৮৬
حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مَطَرٍ، عَنْ زَكَرِيَّا بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنِ النَّهَّاسِ بْنِ قَهْمٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ ﷺ ـ قَالَ «مَنْ أَرَادَ الْحِجَامَةَ فَلْيَتَحَرَّ سَبْعَةَ عَشَرَ أَوْ تِسْعَةَ عَشَرَ أَوْ إِحْدَى وَعِشْرِينَ وَلاَ يَتَبَيَّغْ بِأَحَدِكُمُ الدَّمُ فَيَقْتُلَهُ» .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ কোন ব্যক্তি রক্তমোক্ষণ করাতে চাইলে যেন মাসের সতের, উনিশ বা একুশ তারিখ বেছে নেয়। তোমাদের কারো যেন উচ্চ রক্তচাপ না হয়। কারণ তাতে জীবননাশের আশঙ্কা আছে।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কেউ রক্তমোক্ষণ করাতে চাইলে মাসের সতেরো, উনিশ বা একুশ তারিখ বেছে নিক। এরপর তিনি সতর্ক করেছেন, কারো রক্ত যেন সঞ্চিত হয়ে তাকে হত্যা না করে। হাদিসটির মূল বিষয় হলো রক্তমোক্ষণ করার সময় নির্বাচন এবং শরীরে রক্তের চাপ বা জমাট অবস্থার ক্ষতির দিকে সতর্ক করা। এখানে তিনটি তারিখ স্পষ্টভাবে এসেছে—১৭, ১৯ ও ২১। তাই হিজামা করার তারিখ, রক্তমোক্ষণ সময় বা হিজামা সুন্নাহ নিয়ে যারা খোঁজ করেন, তারা এই হাদিস থেকে সরাসরি তথ্য পান। তবে ব্যাখ্যার সময় হাদিসে না থাকা বাড়তি চিকিৎসা-দাবি করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রক্তমোক্ষণ করতে চাইলে ১৭, ১৯ বা ২১ তারিখের কথা এসেছে।
- শরীরে রক্ত জমে ক্ষতি করার বিষয়ে সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
- চিকিৎসার সময় নির্বাচনেও হাদিসে নির্দেশনা এসেছে।
- হাদিসের কথাকে বাড়িয়ে অতিরিক্ত চিকিৎসা-নিয়ম বানানো ঠিক নয়।
