৩১/২৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৮৯ - দাগ ও ঝাড়ফুঁক থেকে তাওয়াক্কুলের শিক্ষা
লোহা দ্বারা দগ্ধ করা
তাওয়াক্কুল: তপ্ত লোহার দাগ ও ঝাড়ফুঁক নিয়ে সতর্কতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৪৮৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৪৮৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَقَّارِ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ ـ ﷺ ـ قَالَ «مَنِ اكْتَوَى أَوِ اسْتَرْقَى فَقَدْ بَرِئَ مِنَ التَّوَكُّلِ " .
মুগীরাহ্ ইবনু শু'বাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ যে ব্যক্তি তপ্ত লোহা দ্বারা (দেহে) দাগ নেয় বা ঝাড়ফুঁক গ্রহণ করায় সে তাওয়াক্কুল (আল্লাহর উপর নির্ভরশীলতা) থেকে বিচ্যুত হলো।
(আ.প্র. তি, নাপ.)
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি তপ্ত লোহা দ্বারা দেহে দাগ নেয় বা ঝাড়ফুঁক গ্রহণ করায়, সে তাওয়াক্কুল থেকে বিচ্যুত হলো। এখানে মূল বিষয় চিকিৎসা নয় শুধু; বরং আল্লাহর উপর নির্ভরশীলতার আদব। হাদিসে দুটি কাজের কথা এসেছে—কাই বা তপ্ত লোহার দাগ নেওয়া এবং ইস্তিরকা বা অন্যের কাছে ঝাড়ফুঁক চাওয়া। নবী (صلى الله عليه وسلم) এগুলোর সঙ্গে তাওয়াক্কুলের সম্পর্ক তুলে ধরেছেন। তাই এই বর্ণনা তাওয়াক্কুল হাদিস, ঝাড়ফুঁক হাদিস এবং গরম লোহার দাগ নিষেধ—এই তিনটি বিষয়ে খুব প্রাসঙ্গিক। তবে হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, তার বাইরে কোনো ব্যক্তির ঈমান নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর উপর ভরসা মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ গুণ।
- হাদিসে তপ্ত লোহার দাগ ও ঝাড়ফুঁক চাওয়ার বিষয়ে সতর্কতা এসেছে।
- চিকিৎসা নিতে গিয়ে অন্তরের ভরসা যেন দুর্বল না হয়।
- অন্যের ব্যাপারে কঠোর রায় না দিয়ে হাদিসের সতর্কতা নিজের জন্য নেওয়া উচিত।
