৩১/৪৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৩৮ - অশুভ লক্ষণ শিরকের কাজ
যে ব্যক্তি ফাল পছন্দ করে এবং অশুভ লক্ষন অপছন্দ করে
অশুভ লক্ষণ শিরক: তাওয়াক্কুলে কুসংস্কার দূর করা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৩৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫৩৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سَلَمَةَ، عَنْ عِيسَى بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ " الطِّيَرَةُ شِرْكٌ وَمَا مِنَّا إِلاَّ وَلَكِنَّ اللَّهَ يُذْهِبُهُ بِالتَّوَكُّلِ ".
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ অশুভ লক্ষণ (বিশ্বাস করা) শিরকী কাজ। রাবী বলেন, আমাদের মধ্যে অশুভ লক্ষণের ধারণা আসে, তবে আল্লাহর উপর ভরসার দ্বারা তা দূরীভূত হয়।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, অশুভ লক্ষণ বিশ্বাস করা শিরকী কাজ। রাবী আরও বলেন, আমাদের মধ্যে অশুভ ধারণা আসতে পারে, কিন্তু আল্লাহর উপর ভরসার মাধ্যমে আল্লাহ তা দূর করে দেন। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো কুলক্ষণ, শিরক থেকে সতর্কতা এবং তাওয়াক্কুল। মানুষ কখনও কোনো শব্দ, দৃশ্য বা ঘটনার কারণে মনে অশুভ ভাবনা পেতে পারে। কিন্তু হাদিসটি শেখায়, সেই ভাবনাকে বিশ্বাসে পরিণত করা উচিত নয়; বরং আল্লাহর উপর ভরসা করতে হবে। এখানে তাওয়াক্কুলকে কুসংস্কারের চিকিৎসা হিসেবে দেখানো হয়েছে। সহজভাবে বললে, মুমিনের মন অশুভ লক্ষণে নয়, আল্লাহর উপর নির্ভরশীল হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অশুভ লক্ষণ বিশ্বাসকে শিরকী কাজ বলা হয়েছে।
- মনে অশুভ ভাবনা এলেও তা অনুসরণ করা উচিত নয়।
- আল্লাহর উপর ভরসা কুলক্ষণ দূর করার পথ।
- তাওয়াক্কুল মুমিনকে কুসংস্কার থেকে বাঁচায়।
