৩৬/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯৩৭ - ছিনতাই ও লুটতরাজের কঠোর নিন্দা
লুট-তরাজ ও ছিনতাই নিষিদ্ধ
ছিনতাই ও লুটতরাজ: মুসলিম চরিত্রের বিপরীত কাজ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৯৩৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৯৩৭
حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ الْحُصَيْنِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ ﷺ ـ قَالَ «مَنِ انْتَهَبَ نُهْبَةً فَلَيْسَ مِنَّا " .
ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ যে ব্যক্তি ছিনতাই ও লুটতরাজ করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
[৩২৬৯] তিরমিযী ১১২৩। মিশকাত ২৯৪৭।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি ছিনতাই ও লুটতরাজ করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর বার্তা স্পষ্ট। অন্যের সম্পদ জোর করে নেয়া, মানুষের নিরাপত্তা নষ্ট করা এবং ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা ইসলামের শিক্ষা নয়। লুটতরাজ হারাম—এই অর্থ 3938 নম্বর হাদিসেও সরাসরি এসেছে। এখানে “সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়” কথাটি কাজটির ভয়াবহতা বুঝায়। তবে এই বাক্যকে নিজের মতো করে কারও উপর চূড়ান্ত রায় দেয়ার জন্য ব্যবহার করা ঠিক নয়; হাদিসের মূল শিক্ষা হলো এমন কাজ থেকে বেঁচে থাকা এবং অন্যের অধিকার রক্ষা করা। একজন মুমিন অন্যের জন্য নিরাপদ হওয়ার চেষ্টা করে। তাই সমাজে নিরাপত্তা রাখতে এমন কাজ থেকে ব্যক্তিগত ও দলগতভাবে দূরে থাকা প্রয়োজন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ছিনতাই ও লুটতরাজ থেকে দূরে থাকা হাদিসের সরাসরি শিক্ষা।
- অন্যের সম্পদ জোর করে নেয়া ভয়াবহ অন্যায়।
- মুসলিম চরিত্র হলো নিরাপত্তা দেয়া, লুট করা নয়।
- হাদিসের কঠোর ভাষা কাজটির নিন্দা বুঝায়।
