৩৭/২৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪২১৫ - তাকওয়া ও সতর্কতা

আল্লাহভীতি ও ধার্মিকতা।

তাকওয়া: ক্ষতির আশঙ্কায় সতর্ক জীবন বেছে নেওয়া

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪২১৫

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَقِيلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنِي رَبِيعَةُ بْنُ يَزِيدَ، وَعَطِيَّةُ بْنُ قَيْسٍ، عَنْ عَطِيَّةَ السَّعْدِيِّ، - وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ـ ﷺ ـ - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «لاَ يَبْلُغُ الْعَبْدُ أَنْ يَكُونَ مِنَ الْمُتَّقِينَ حَتَّى يَدَعَ مَا لاَ بَأْسَ بِهِ حَذَرًا لِمَا بِهِ الْبَأْسُ».

আতিয়্যাহ আস-সা’দী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন বান্দা ক্ষতিকর কাজে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় বৈধ অক্ষতিকর বিষয় ত্যাগ না করা পর্যন্ত মোত্তাকীদের পর্যায়ে উন্নীত হতে পারে না।

[৩৫৪৭] তিরমিযি ২৪৫১। গায়াতুল মারাম ১৭৮, আত তালিকুর রাগিব ৩/১৭।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪২১৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে তাকওয়ার একটি সূক্ষ্ম দিক এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কোনো বান্দা মুত্তাকীদের পর্যায়ে উঠতে পারে না, যতক্ষণ না সে ক্ষতিকর কাজে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় বৈধ অক্ষতিকর বিষয়ও ত্যাগ করে। অর্থাৎ তাকওয়া শুধু হারাম থেকে দূরে থাকা নয়; এমন পথ থেকেও সতর্ক থাকা, যা মানুষকে ক্ষতির দিকে টেনে নিতে পারে। তবে এখানে অতিরিক্ত কঠোরতা চাপিয়ে দেওয়া নয়; বরং নিজের দুর্বলতা বুঝে নিরাপদ পথ বেছে নেওয়ার শিক্ষা আছে। যে বিষয় সরাসরি ক্ষতিকর নয়, তবু যদি তা ক্ষতির দরজা খুলে দেয়, তাহলে সচেতন মুমিন তা থেকে দূরে থাকতে পারে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • তাকওয়া মানুষকে ক্ষতির দরজা থেকেও সতর্ক করে।
  • নিজের দুর্বলতা বুঝে নিরাপদ পথ বেছে নেওয়া ভালো অভ্যাস।
  • হারাম থেকে বাঁচতে কখনো কিছু বৈধ বিষয়ও ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন