৩৭/২৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪২৩৬ - উম্মতের গড় আয়ু ও সময়ের মূল্য
আশা-আকাঙ্ক্ষা ও মৃত্যু
উম্মতের আয়ু: ষাট থেকে সত্তর বছরের শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪২৩৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪২৩৬
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ ﷺ ـ قَالَ : «أَعْمَارُ أُمَّتِي مَا بَيْنَ السِّتِّينَ إِلَى السَّبْعِينَ وَأَقَلُّهُمْ مَنْ يَجُوزُ ذَلِكَ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ আমার উম্মতের (গড়) আয়ু ষাট থেকে সত্তর বছর। তাদের মধ্যে খুব কম সংখ্যকই এ বয়স অতিক্রম করবে।
[৩৫৬৮] তিরমিযি ২৩৩১, ৩৫৫০। মিশকাত ৫২৮০, সহিহা ৭৫৭।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪২৩৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেন, তাঁর উম্মতের গড় আয়ু ষাট থেকে সত্তর বছর, আর খুব কম মানুষই এ বয়স অতিক্রম করবে। এখানে মূল শিক্ষা হলো সময়ের সীমাবদ্ধতা। মানুষ অনেক বড় পরিকল্পনা করে, কিন্তু জীবন আসলে সীমিত। তাই সময়কে অবহেলা করা ঠিক নয়। হাদিসটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির আয়ু বলে দিচ্ছে না; বরং উম্মতের সাধারণ বয়সসীমার কথা বলছে। ‘উম্মতের আয়ু’ মনে রাখলে মানুষ দেরি না করে ভালো কাজ, তওবা, সম্পর্ক ঠিক করা এবং দায়িত্ব পালনে মনোযোগী হতে পারে। দুনিয়ার ব্যস্ততা থাকবে, কিন্তু আখিরাতের প্রস্তুতিও দরকার। এই হাদিস আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবন দীর্ঘ মনে হলেও সময় দ্রুত চলে যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জীবন সীমিত—এ কথা মনে রাখা দরকার।
- ভালো কাজ পরে করব বলে ফেলে রাখা ঠিক নয়।
- এই হাদিস কারও নির্দিষ্ট আয়ু নির্ধারণ করে না।
- সময়কে আখিরাতের প্রস্তুতির জন্য কাজে লাগানো উচিত।
