৩৭/৩৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪২৯১ - কেয়ামতে সিজদা ও আগুন থেকে ফিদয়া
মুহাম্মাদ ﷺ -এর উম্মাতের বৈশিষ্ট্য
কেয়ামতের দিন সিজদা: উম্মতের জন্য আল্লাহর অনুগ্রহ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪২৯১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪২৯১
حَدَّثَنَا جُبَارَةُ بْنُ الْمُغَلِّسِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ أَبِي الْمُسَاوِرِ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ " إِذَا جَمَعَ اللَّهُ الْخَلاَئِقَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أُذِنَ لأُمَّةِ مُحَمَّدٍ بِالسُّجُودِ فَيَسْجُدُونَ لَهُ طَوِيلاً ثُمَّ يُقَالُ ارْفَعُوا رُءُوسَكُمْ قَدْ جَعَلْنَا عِدَّتَكُمْ فِدَاءَكُمْ مِنَ النَّارِ " .
আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ কেয়ামতের দিন সমগ্র সৃষ্টিকে একত্র করার পর মুহাম্মাদ (ﷺ) এর উম্মতকে সিজদারত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হবে। তারা দীর্ঘক্ষণ তাঁর উদ্দেশে সিজদারত থাকবে। অতঃপর বলা হবে, তোমরা মাথা উঠাও। আমি তোমাদের সমসংখ্যককে (কাফেরকে) জাহান্নামের ফিদয়া স্বরূপ দিয়েছি।
[৩৬২৩][মুসলিম ২৭৬৭, আহমাদ ১৯১০৩, ১৯১৬১। দঈফাহ ২৫৪৯।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪২৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কেয়ামতের একটি দৃশ্য বলেছেন। আল্লাহ সমগ্র সৃষ্টিকে একত্র করবেন। এরপর মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم)-এর উম্মতকে সিজদা করার অনুমতি দেওয়া হবে। তারা দীর্ঘক্ষণ আল্লাহর উদ্দেশে সিজদায় থাকবে। তারপর বলা হবে, তোমরা মাথা উঠাও; তোমাদের সমসংখ্যককে জাহান্নামের ফিদয়া হিসেবে দেওয়া হয়েছে। হাদিসটি কেয়ামতের দিনে সিজদার গুরুত্ব এবং এই উম্মতের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ বোঝায়। এতে সিজদা শুধু দুনিয়ার ইবাদত নয়, আখিরাতের দৃশ্যেও এক বড় পরিচয় হিসেবে আসে। তাই নামাজ ও সিজদাকে জীবনে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সিজদা আল্লাহর সামনে বান্দার বিনয় প্রকাশের বড় মাধ্যম।
- কেয়ামতের দিন উম্মতে মুহাম্মাদীর জন্য বিশেষ অনুগ্রহের কথা এসেছে।
- দুনিয়ার ইবাদত আখিরাতের অবস্থার সাথে গভীরভাবে জড়িত।
