৩৭/৩৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪৩১০ - কবীরা গুনাহগারদের জন্য শাফাআত
শাফা‘আতের আলোচনা
কবীরা গুনাহগারদের জন্য শাফাআত: নবী صلى الله عليه وسلم-এর করুণার হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪৩১০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪৩১০
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ ﷺ ـ يَقُولُ " إِنَّ شَفَاعَتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ لأَهْلِ الْكَبَائِرِ مِنْ أُمَّتِي ".
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছিঃ কেয়ামতের দিন আমার শাফাআত হবে আমার উম্মতের কবীরা গুনাহগারদের জন্যই।
[৩৬৪১] [তিরমিযী ২৪৩৬। মিশকাত ৫৫৯৯, রাওদুন নাদীর ৪৫।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪৩১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু অর্থ গভীর। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কেয়ামতের দিন তাঁর শাফাআত হবে তাঁর উম্মতের কবীরা গুনাহগারদের জন্য। এখানে মূল বিষয় হলো শাফাআত এবং গুনাহগার উম্মতের প্রতি নবী صلى الله عليه وسلم-এর মমতা। তবে এই হাদিস শুনে গুনাহকে হালকা ভাবা ঠিক নয়। কারণ কবীরা গুনাহ নিজেই বড় বিপদের বিষয়, আর শাফাআত আল্লাহর অনুমতি ও ইচ্ছার সঙ্গে সম্পর্কিত। হাদিসের ভাষা আমাদের আশা দেয়, কিন্তু সেই আশার সঙ্গে তাওবা, সতর্কতা ও আল্লাহভীতি থাকা দরকার। একজন মুমিনের কাজ হলো গুনাহ থেকে বাঁচার চেষ্টা করা, ভুল হলে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা এবং নবী صلى الله عليه وسلم-এর আনুগত্যে জীবন কাটানো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর শাফাআত তাঁর উম্মতের কবীরা গুনাহগারদের জন্য হবে বলে হাদিসে এসেছে।
- কবীরা গুনাহকে হালকা ভাবা উচিত নয়; তাওবা জরুরি।
- শাফাআতের আশা আল্লাহভীতি ও সংশোধনের সঙ্গে থাকা উচিত।
