২/৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬৮১ - যোহরের সালাত বিলম্বে পড়ার নির্দেশ
প্রচণ্ড গরমের মৌসুমে যোহরের সালাত ঠাণ্ডা করে পড়া
যোহরের সালাত বিলম্বে পড়া: গরমের সময় সহজ নববী শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৬৮১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৬৮১
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «أَبْرِدُوا بِالظُّهْرِ " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা যোহরের সালাত ঠাণ্ডা করে (বিলম্বে) পড়ো।
[৬৭৯] সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬৮১-এর সারসংক্ষেপ
কোর টপিক: যোহর সালাত। এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমরা যোহরের সালাত ঠান্ডা করে পড়ো। কথাটি ছোট হলেও এর শিক্ষা স্পষ্ট। যোহরের সালাত এমন সময়ে আসে, যখন অনেক এলাকায় গরম তীব্র থাকে। এই হাদিসে তীব্র গরমের অবস্থায় যোহরের সালাত কিছুটা ঠান্ডা হলে আদায়ের নির্দেশ পাওয়া যায়। এখানে “যোহরের সালাত বিলম্বে পড়া” মানে সালাতকে অবহেলা করা নয়; বরং হাদিসের ভাষা অনুযায়ী গরমের কষ্ট কমে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা। তাই “যোহরের নামাজের সময়”, “গরমে সালাত” এবং “যোহর ঠান্ডা করে পড়া” বিষয়গুলো এই হাদিসের সাথে সরাসরি যুক্ত। হাদিসটি মুসলিমকে শেখায়, ইবাদত হবে নববী নির্দেশ মেনে এবং কষ্টের অবস্থায় সহজতার দিকও বিবেচনায় রেখে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গরমের সময়ে যোহরের সালাত ঠান্ডা করে পড়ার নির্দেশ এসেছে।
- সালাত বিলম্বের কথা এখানে নির্দিষ্ট কারণের সাথে যুক্ত।
- নববী নির্দেশ মেনে সালাত আদায় করা মুমিনের দায়িত্ব।
