২/৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬৮৬ - আসর ও মধ্যবর্তী সালাতের সতর্কতা
আসরের সলাতের হেফাজত করা।
আসর সালাত থেকে বাধা: মধ্যবর্তী সালাতের কঠিন সতর্কতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৬৮৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৬৮৬
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ، عَنْ زُبَيْدٍ، عَنْ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَبَسَ الْمُشْرِكُونَ النَّبِيَّ ـ ﷺ ـ عَنْ صَلاَةِ الْعَصْرِ حَتَّى غَابَتِ الشَّمْسُ فَقَالَ «حَبَسُونَا عَنْ صَلاَةِ الْوُسْطَى مَلأَ اللَّهُ قُبُورَهُمْ وَبُيُوتَهُمْ نَارًا».
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মুশরিকরা নবী (ﷺ) কে আসরের সালাত থেকে বিরত রাখলো, এমনকি সূর্য ডুবে গেল। তখন তিনি বলেন, যারা আমাদেরকে মধ্যবর্তী সালাত থেকে বিরত রাখলো, আল্লাহ তাদের ঘর-বাড়িগুলো ও কবরসমূহ আগুন দিয়ে ভরে দিন।
[৬৮৪] মুসলিম ৬২৮, তিরমিযী ১৮১, ২৯৮৫; আহমাদ ৩৭০৮, ৩৮১৯, ৪৩৫৩। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: মিশকাত ৬৩৪।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬৮৬-এর সারসংক্ষেপ
কোর টপিক: আসর সালাত। এই হাদিসে বলা হয়েছে, মুশরিকরা নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে আসরের সালাত থেকে বিরত রাখে, এমনকি সূর্য ডুবে যায়। তখন তিনি বলেন, যারা আমাদেরকে মধ্যবর্তী সালাত থেকে বিরত রাখলো, আল্লাহ তাদের কবরসমূহ ও ঘর-বাড়ি আগুন দিয়ে ভরে দিন। হাদিসটি আসর সালাত ও মধ্যবর্তী সালাতের গুরুত্বকে খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। “আসর সালাত”, “সালাতুল উস্তা” এবং “খন্দকের দিন আসর সালাত” এই বর্ণনার সাথে সরাসরি যুক্ত। এখানে ঘটনার মূল দিক হলো বাধার কারণে সালাত সময়মতো আদায় না হওয়া। নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কথার কঠোরতা দেখায়, সালাত থেকে বিরত রাখা কত গুরুতর বিষয়। এই হাদিস থেকে আমরা সালাতের মূল্য বুঝি, তবে হাদিসের বাইরের বিস্তারিত ঘটনা যোগ না করাই নিরাপদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আসর সালাত থেকে বিরত রাখার ঘটনা হাদিসে গুরুতরভাবে এসেছে।
- মধ্যবর্তী সালাতের গুরুত্ব বিশেষভাবে স্মরণ করানো হয়েছে।
- সালাতের পথে বাধা সৃষ্টি করা বড় অন্যায় হিসেবে বোঝা যায়।
