৩/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৭১৩ - সময়মতো আযান ও ইকামতের বিলম্ব
আযানের সুন্নাত।
ওয়াক্ত হলে আযান দেরি নয়: বিলাল (রাঃ)-এর আমল
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৭১৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৭১৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ بِلاَلٌ لاَ يُؤَخِّرُ الأَذَانَ عَنِ الْوَقْتِ وَرُبُّمَا أَخَّرَ الإِقَامَةَ شَيْئًا .
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ওয়াক্ত হলে বিলাল (রাঃ) কখনো আজান দিতে বিলম্ব করতেন না। তবে তিনি কখনো ইকামতে কিছুটা বিলম্ব করতেন।
[৭১১] হাসান। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়াহ ২২৭। হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৭১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) বিলাল (রাঃ)-এর আযান ও ইকামতের অভ্যাস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ওয়াক্ত হলে বিলাল (রাঃ) কখনো আযান দিতে বিলম্ব করতেন না। তবে তিনি কখনো ইকামতে কিছুটা বিলম্ব করতেন। এতে আযান ও ইকামতের মধ্যে পার্থক্য বোঝা যায়। আযান হলো সময় ঢোকার ঘোষণা, তাই ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা দেওয়া জরুরি। আর ইকামত হলো সালাত শুরু হওয়ার ঘোষণা, তাই মানুষ জমা হওয়া বা প্রস্তুতির জন্য কখনো সামান্য বিলম্ব হতে পারে। এই হাদিস মুসলিম সমাজে সময়মতো আযানের গুরুত্ব শেখায় এবং ইকামতের ক্ষেত্রে বাস্তব প্রস্তুতির দিকও বুঝিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওয়াক্ত হলে আযান দিতে বিলম্ব করা উচিত নয়।
- ইকামত সালাত শুরু করার সঙ্গে যুক্ত, তাই প্রস্তুতির বিষয় থাকতে পারে।
- বিলাল (রাঃ)-এর আমল সময়নিষ্ঠার শিক্ষা দেয়।
- আযান ও ইকামতের উদ্দেশ্য আলাদা করে বোঝা দরকার।
