৫/১০. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৮৩৬ - ইশার সালাতে সংক্ষিপ্ত সূরা পড়ার নির্দেশ
ইশার সলাতের কিরাআত।
ইশার সালাতে সংক্ষিপ্ত কিরাআত: মুআজ (রাঃ)-এর ঘটনা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৮৩৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৮৩৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، صَلَّى بِأَصْحَابِهِ الْعِشَاءَ فَطَوَّلَ عَلَيْهِمْ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ ـ ﷺ ـ " اقْرَأْ بِالشَّمْسِ وَضُحَاهَا وَسَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى وَاقْرَأْ بِسْمِ رَبِّكَ " .
মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মুআয বিন জাবাল (রাঃ) তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে ইশার সালাত পড়লেন এবং তাদের সালাত দীর্ঘায়িত করলেন। নবী (ﷺ) বলেন, তুমি সূরা ওয়াশ-শামস, সূরা আলা, সূরা লায়ল ও আলাক ইত্যাদি (ক্ষুদ্র সূরা) পাঠ করবে।
[৮৩৪] বুখারী ৭০১, ৭০৫, ৬১০৬; মুসলিম ৪৬৫, নাসায়ী ৮৩৫, আবূ দাঊদ ৭৯০, আহমাদ ১৩৮৯৫। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৮৩৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইশার সালাতে কিরাআত দীর্ঘ করার বিষয়ে একটি সরাসরি নির্দেশ এসেছে। মুআজ বিন জাবাল (রাঃ) তাঁর সাথীদের নিয়ে ইশার সালাত পড়ান এবং সালাত দীর্ঘ করেন। তখন নবী صلى الله عليه وسلم তাঁকে বলেন, সূরা আশ-শামস, সূরা আলা, সূরা লাইল এবং সূরা আলাক ইত্যাদি ছোট সূরা পড়তে। বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো ইমাম হলে মুক্তাদীদের অবস্থা খেয়াল রাখা। হাদিসে যে সূরাগুলোর নাম এসেছে, সেগুলোই উল্লেখ করা উচিত; এর বাইরে নিজের মতো তালিকা বাড়ানো ঠিক নয়। “ইশার সালাতে সংক্ষিপ্ত কিরাআত” ও “মুআজ (রাঃ)-এর ঘটনা” বিষয়ে এই হাদিস খুব স্পষ্ট। এতে বোঝা যায়, সালাতের কিরাআতে ভারসাম্য রাখা দরকার। তাই পাঠক এই হাদিস থেকে মূল আমলটি বুঝবেন, কিন্তু এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না যা বর্ণনার শব্দে নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমাম হলে সালাত অতিরিক্ত দীর্ঘ করে মুক্তাদীদের কষ্ট দেওয়া ঠিক নয়—এ ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
- নবী صلى الله عليه وسلم ছোট সূরা হিসেবে কয়েকটি সূরার নাম বলেছেন।
- কিরাআতের ক্ষেত্রে মুক্তাদীদের অবস্থা খেয়াল করা গুরুত্বপূর্ণ।
