২২/১০. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১০১২ - শিকারী ও পশু রক্ষাকারী কুকুরের বিধান
কুকুর হত্যা করার নির্দেশ।
কুকুর পোষার বিধান: শিকারী ও পশু রক্ষাকারী কুকুর
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১০১২
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১০১২
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنِ اقْتَنَى كَلْبًا إِلاَّ كَلْبَ مَاشِيَةٍ، أَوْ ضَارٍ، نَقَصَ مِنْ عَمَلِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যে ব্যক্তি শিকারী কুকুর কিংবা পশু রক্ষাকারী কুকুর ব্যতীত অন্য কোন কুকুর পোষে, সেই ব্যক্তির আমলের সাওয়াব থেকে প্রত্যহ দুই কীরাত পরিমাণ কমে যায়।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭২: যব্হ ও শিকার, অধ্যায় ৬, হাঃ ৫৪৮১; মুসলিম, পর্ব ২২ : পানি সিঞ্চন, অধ্যায়, হাঃ ১৫৭৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১০১২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুকুর পোষার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমা এসেছে। যে ব্যক্তি শিকারী কুকুর অথবা পশু রক্ষাকারী কুকুর ছাড়া অন্য কোনো কুকুর পোষে, তার আমলের সাওয়াব থেকে প্রতিদিন দুই কীরাত পরিমাণ কমে যায়। হাদিসে দুটি ব্যতিক্রম উল্লেখ আছে—শিকার কাজে লাগা কুকুর এবং পশু রক্ষার কুকুর। তাই সাধারণ পোষার সঙ্গে প্রয়োজনভিত্তিক পোষার মধ্যে পার্থক্য করা হয়েছে। এই বর্ণনা মুসলিমকে শেখায়, কোনো প্রাণী রাখার ক্ষেত্রেও শরিয়তের নির্দেশকে গুরুত্ব দিতে হয়। নিজের পছন্দের পাশাপাশি আমলের ক্ষতি হতে পারে কি না, সেটিও ভাবা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শিকারী বা পশু রক্ষাকারী কুকুরের ব্যতিক্রম হাদিসে এসেছে।
- অকারণে কুকুর পোষায় আমলের সাওয়াব কমার কথা বলা হয়েছে।
- প্রাণী রাখার ক্ষেত্রেও ইসলামী নির্দেশনা মানা জরুরি।
- ব্যক্তিগত পছন্দের আগে আমলের ক্ষতির বিষয় ভাবতে হবে।
