২৯/১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১০৯৮ - তিন দিরহামের ঢাল চুরির শাস্তি
চুরির হাদ ও তার নিসাব (শাস্তি দানের জন্য অপরাধের সর্বনিম্ন পরিমাণ)
চুরির শাস্তি ও সম্পদের হক: তিন দিরহামের ঢালের ঘটনা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১০৯৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১০৯৮
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَطَعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَ سارِقٍ فِي مِجَنٍّ ثَمَنُهُ ثَلاَثَةُ دَرَاهِمَ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) তিন দিরহাম মূল্যমানের ঢাল চুরি করার অপরাধে চোরের হাত কর্তন করেছেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৮৬; দণ্ডবিধি, অধ্যায় ১৩, হাঃ ৬৭৯৮; মুসলিম, পর্ব ২৯: হুদূদ, অধ্যায় ১, হাঃ ১৬৮৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১০৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে চুরির হদের আরেকটি নির্দিষ্ট ঘটনা এসেছে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) তিন দিরহাম মূল্যমানের একটি ঢাল চুরি করার অপরাধে চোরের হাত কর্তন করেছেন। এখানে মূল বিষয় হলো—চুরি শুধু জিনিস নেওয়া নয়, অন্যের নিরাপত্তা ও সম্পদের অধিকার ভাঙা। হাদিসে ঢালের মূল্যও উল্লেখ আছে, তাই এটি চুরির নিসাব বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা হিসেবে আসে। ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে বাড়তি শর্ত বা বিচারিক বিস্তারিত হাদিসে নেই, তাই আমরা মূল কথাতেই থাকি। শিক্ষা হলো, অন্যের সম্পদকে সম্মান করা, চুরি থেকে দূরে থাকা এবং সম্পদের অধিকারকে হালকা না ভাবা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্যের সম্পদ চুরি করা গুরুতর অপরাধ।
- হাদিসে তিন দিরহাম মূল্যমানের ঢালের কথা এসেছে।
- চুরির বিচার নির্দিষ্ট ঘটনার ভিত্তিতে হয়েছে।
- সম্পদের হক রক্ষা করা ইসলামী শিক্ষার অংশ।
