১/৮৪. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২১ - উম্মতের জন্য নবীর বিশেষ দুআ
নবী (ﷺ)-এর গোপনীয় বিশেষ প্রার্থনা যা হবে তাঁর উম্মতের জন্য শাফাআত কামনা।
শাফাআত হাদিস: উম্মতের জন্য নবীজির সংরক্ষিত দুআ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১২১
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১২১
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لِكُلِّ نَبِيٍّ دَعْوَةٌ، فَأُرِيدُ، إِنْ شَاءَ اللهُ، أَنْ أَخْتَبِيَ دَعْوَتِي شَفَاعَةً لأُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীর একটি (বিশেষ) দোয়া রয়েছে। আমার সে দোয়াটি কিয়ামতের দিন আমার উম্মতের শাফায়াতের জন্য লুকিয়ে রাখার ইচ্ছে করছি ইনশা আল্লাহ্।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৯৭ : তাওহীদ, অধ্যায় ৩১, হাঃ ৭৪৭৪; মুসলিম, পর্ব ১: ঈমান, অধ্যায় ৮৬, হাঃ ১৯৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে শাফাআত ও নবীজির উম্মতের প্রতি মমতার কথা খুব সুন্দরভাবে এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, প্রত্যেক নবীর একটি বিশেষ দুআ আছে। কিন্তু তিনি তাঁর সেই দুআটি কিয়ামতের দিন উম্মতের শাফাআতের জন্য রেখে দিতে চান, ইনশা আল্লাহ। এখানে মূল শিক্ষা হলো, নবীজি তাঁর উম্মতের কল্যাণকে কত গুরুত্ব দিয়েছেন। হাদিসটি আমাদের মনে করায়, কিয়ামতের দিন মানুষ আল্লাহর রহমতের মুখাপেক্ষী থাকবে। তাই শাফাআতের আশা রাখার পাশাপাশি ঈমান, আল্লাহর আনুগত্য ও সঠিক পথে চলার চেষ্টা করা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি তাঁর উম্মতের কল্যাণকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
- কিয়ামতের দিন শাফাআত আল্লাহর অনুমতি ও রহমতের সাথে যুক্ত।
- মুমিনের উচিত আল্লাহর রহমতের আশা রাখা এবং সঠিক পথে চলা।
