৩৬/১২. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩১১ - ঘুমানোর আগে আগুন না রাখা
পাত্র ঢেকে রাখা, মশক বেঁধে রাখা, দরজা বন্ধ করা, এগুলো করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলা এবং ঘুমানোর সময় বাতি ও আগুন নিভিয়ে রাখা এবং মাগরিবের পর শিশু ও গরু বাছুর বাড়ির বাইরে যেতে না দেয়ার নির্দেশ।
ঘুমানোর আগে আগুন না রাখা: ঘরের নিরাপত্তা বিষয়ে হাদিস
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৩১১
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৩১১
حديث ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لاَ تَتْرُكُوا النَّارَ فِي بُيُوتِكُمْ حِينَ تَنَامُونَ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমরা ঘুমাবে তখন তোমাদের ঘরগুলোতে আগুন রেখে ঘুমাবে না।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭৯; অনুমতি প্রার্থনা, অধ্যায় ৪৯, হাঃ ৬২৯৩; মুসলিম, পর্ব ৩৬ : পানীয়, অধ্যায় ১২, হাঃ ২০১৫
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩১১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) খুব সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন: তোমরা যখন ঘুমাবে, তখন ঘরগুলোতে আগুন রেখে ঘুমাবে না। আগের যুগে ঘরে আলো, রান্না বা উষ্ণতার জন্য আগুন ব্যবহার করা হতো। হাদিসের কথায় মূল শিক্ষা হলো, ঘুমের আগে বিপদের কারণ হতে পারে এমন আগুন নিরাপদ করা। এখানে বাড়তি কোনো জটিল ব্যাখ্যার দরকার নেই। মানুষ ঘুমালে সচেতন থাকে না; তাই আগুন জ্বলতে থাকলে ক্ষতি হতে পারে। ইসলামী আদব শুধু ইবাদতের সময় নয়, ঘরের নিরাপত্তা, পরিবার ও সম্পদের হিফাজতেও দিকনির্দেশনা দেয়। আজকের দিনে আগুনের সঙ্গে রান্নার চুলা, মোমবাতি বা অনুরূপ ঝুঁকির জিনিস মনে রাখা যেতে পারে—তবে হাদিসের সরাসরি কথা হলো ঘুমানোর সময় আগুন না রেখে দেওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘুমের আগে আগুন নিরাপদ করা উচিত।
- ঘরের নিরাপত্তা ইসলামী জীবনের একটি বাস্তব শিক্ষা।
- অসতর্কতা থেকে ক্ষতি হতে পারে, তাই আগে থেকে সাবধান থাকা দরকার।
