৩৬/২৭. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩২৭ - আজওয়া খেজুরের ফজিলত
মাদীনার খেজুরের মর্যাদা।
সাতটি আজওয়া খেজুর: বিষ ও যাদু থেকে রক্ষার হাদিস
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৩২৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৩২৭
حديث سَعْدٍ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: مَنْ تَصَبَّحَ سَبْعَ تَمَرَاتٍ عَجْوَةً لَمْ يَضُرُّهُ، ذَلِكَ الْيَوْمَ، سُمٌّ وَلاَ سِحْرٌ
সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি সকাল বেলা সাতটি আজ্ওয়া (মাদীনায় উৎপন্ন উন্নত মানের খুরমার নাম) খেজুর খাবে, সে দিন কোন বিষ বা জাদু তার কোন ক্ষতি করবে না।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭৬ : চিকিৎসা, অধ্যায় ৫২, হাঃ ৫৭৬৯; মুসলিম, পর্ব ৩৬ : পানীয়, অধ্যায় ২৭, হাঃ ২০৪৭
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় আজওয়া খেজুরের ফজিলত। সা‘দ (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বলতে শুনেছেন—যে ব্যক্তি সকালবেলা সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোনো বিষ বা যাদু তার ক্ষতি করবে না। এখানে হাদিসের বক্তব্য খুব নির্দিষ্ট: সাতটি আজওয়া, সকালবেলা, এবং সেই দিনের জন্য বিষ ও যাদুর ক্ষতি থেকে সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় এর বাইরে গিয়ে অন্য সব খেজুর বা সব অবস্থার ব্যাপারে একই দাবি করা ঠিক নয়। বাংলায় ‘আজওয়া খেজুরের হাদিস’ খুব বেশি খোঁজা হয়। এই বর্ণনা মুসলিমকে আল্লাহর দেওয়া রিযিক ও নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কথার প্রতি আস্থা রাখার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে নির্দিষ্টভাবে সাতটি আজওয়া খেজুরের কথা এসেছে।
- সময়ও নির্দিষ্ট—সকালবেলা খাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- ফজিলতের বিষয়টি হাদিসের ভাষার মধ্যেই সীমিত রাখা উচিত।
