৩৯/৪. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩৯৯ - ইয়াহূদীদের সালামের জবাব
আহলে কিতাবদেরকে প্রথমে সালাম দেয়া নিষিদ্ধ এবং তাদেরকে কীভাবে তাদের সালামের উত্তর দিবে।
ইয়াহূদীদের ‘আসসামু আলাইকা’ কথার জবাব কী হবে
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৩৯৯
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৩৯৯
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِذَا سَلَّمَ عَلَيْكُمُ الْيَهُودُ فَإِنَّمَا يَقُولُ أَحَدُهُمُ: السَّامُ عَلَيْكَ فَقُلْ: وَعَلَيْكَ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বললেনঃ ইয়াহূদী তোমাদের সালাম করলে তাদের কেউ অবশ্যই বলবেঃ আস্সামু আলাইকা। তখন তোমরা জবাবে ‘ওয়াআলাইকা’ বলবে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭৯ : অনুমতি প্রার্থনা, অধ্যায় ২২, হাঃ ৬২৫৭; মুসলিম, পর্ব ৩৯ : সালাম, অধ্যায় ৪, হাঃ ২১৬৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩৯৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ইয়াহূদীরা যখন সালাম করে, তাদের কেউ আসলে বলে, আসসামু আলাইকা। এর অর্থ ভালো সালামের মতো নয়; এতে অকল্যাণের ইঙ্গিত আছে। তাই নবীজি জবাবে বলেছেন, ওয়া আলাইকা—অর্থাৎ তোমার উপরও। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, কথার জবাবে সতর্ক ও সংযত থাকা। অপমানজনক বা ক্ষতিকর কথার জবাব দিতে গিয়ে সীমা ছাড়ানো উচিত নয়। নবীজি ছোট, সুনির্দিষ্ট এবং নিয়ন্ত্রিত জবাব শিখিয়েছেন। এতে নিজের মর্যাদা থাকে, আবার অন্যায় কথার জবাবও হয়ে যায়। তাই সালাম বা কথোপকথনে আবেগের বদলে নবীজির শেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিকৃত সালামের জবাবে সংক্ষিপ্তভাবে ‘ওয়া আলাইকা’ বলা হবে।
- অন্যের কথার জবাবে সতর্কতা দরকার।
- অপমানজনক কথার জবাবেও সীমা রক্ষা করা উচিত।
- নবীজির শেখানো ভাষা অনুসরণ করাই নিরাপদ পথ।
