৩৯/১৯. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৪১৪ - রোগীর জন্য শিফার দোয়া
অসুস্থ ব্যক্তিকে ঝাড়ফুঁক করা মুস্তাহাব।
রোগীর জন্য শিফার দোয়া: নবীজির পড়া দোয়ার হাদিস
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৪১৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৪১৪
حديث عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كَانَ إِذَا أَتَى مَرِيضًا، أَوْ أُتِيَ بِهِ قَالَ: أَذْهِبِ الْبَاسَ، رَبَّ النَّاسِ، اشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِي، لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিয়ম ছিল, তখন যখন কোন রোগীর কাছে আসতেন কিংবা তাঁর নিকট যখন কোন রোগীকে আনা হত, তখন তিনি বলতেনঃ কষ্ট দূর করে দাও। হে মানুষের রব, শেফা দান কর, তুমিই একমাত্র শেফাদানকারী। তোমার শেফা ব্যতীত অন্য কোন শেফা নেই। এমন শেফা দান কর যা সামান্য রোগকেও অবশিষ্ট না রাখে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭৫ : রুগী, অধ্যায় ২০, হাঃ ৫৬৭৫; মুসলিম, পর্ব ৩৯ : সালাম, অধ্যায় ১৯, হাঃ ২১৯১
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৪১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কোনো রোগীর কাছে গেলে অথবা কোনো রোগী তাঁর কাছে আনা হলে তিনি দোয়া করতেন। দোয়ায় তিনি বলতেন, হে মানুষের রব, কষ্ট দূর করে দাও, শিফা দাও; তুমিই শিফাদানকারী; তোমার শিফা ছাড়া কোনো শিফা নেই; এমন শিফা দাও যা রোগ রেখে যায় না। এখানে মূল বিষয় রোগীর জন্য দোয়া এবং শিফা আল্লাহর হাতে—এই বিশ্বাস। “রোগীর দোয়া”, “শিফার দোয়া”, “আযহিবিল বাস” এবং “নবীজির রোগীর দোয়া” এই হাদিসের জন্য শক্তিশালী কীওয়ার্ড। হাদিসটি শেখায়, অসুস্থ মানুষের পাশে গিয়ে সুন্দর দোয়া করা নবীজির আমল। একই সাথে দোয়ায় আল্লাহকে একমাত্র শিফাদানকারী বলা হয়েছে। তাই চিকিৎসা বা যত্নের পাশাপাশি আল্লাহর কাছে শিফা চাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোগীর জন্য আল্লাহর কাছে শিফার দোয়া করা নবীজির আমল।
- হাদিসে আল্লাহকে একমাত্র শিফাদানকারী বলা হয়েছে।
- অসুস্থ মানুষের পাশে গিয়ে দোয়া করা ভালো আচরণ।
