৪৩/২৫. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৫০৭ - নবীজির চেহারা ও উত্তম আখলাক
নবী (ﷺ)-এর শারীরিক আকৃতি এবং তিনি মানুষদের মধ্যে সর্বোত্তম অবয়বের অধিকারী ছিলেন।
নবীজির উত্তম আখলাক ও সুন্দর চেহারার বর্ণনা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৫০৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৫০৭
حديث الْبَرَاءِ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَحْسَنَ النَّاسِ وَجْهًا، وَأَحْسَنَهُ خَلُقًا، لَيْسَ بِالطَّوِيلِ الْبَائِنِ وَلاَ بِالْقَصِيرِ
বারা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর চেহারা ছিল মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সুন্দর এবং তিনি ছিলেন সর্বোত্তম আখলাকের অধিকারী। তিনি বেশি লম্বাও ছিলেন না এবং বেঁটেও ছিলেন না।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬১: মর্যাদা ও গুণাবলী, অধ্যায় ৪৩, হাঃ ৩৫৪৯; মুসলিম, পর্ব ৪৩ ফাযায়েল, অধ্যায় ২৫, হাঃ ২৩৩৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৫০৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বারাআ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর চেহারা ও চরিত্র—দুই দিকই একসাথে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর চেহারা মানুষের মধ্যে সুন্দর ছিল এবং তিনি ছিলেন উত্তম আখলাকের অধিকারী। তিনি বেশি লম্বা ছিলেন না, আবার বেঁটেও ছিলেন না। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, নবীজির সৌন্দর্য শুধু বাহ্যিক ছিল না; তাঁর আচরণও ছিল সুন্দর। একজন মানুষকে সত্যিকারের ভালো লাগার ক্ষেত্রে মুখের সৌন্দর্যের সাথে ব্যবহারের সৌন্দর্যও বড় বিষয়। এই হাদিস তাই নবীজির আখলাক সম্পর্কে জানার একটি গুরুত্বপূর্ণ দরজা খুলে দেয়। তিনি কেমন দেখাতেন, তা জানার সাথে সাথে তিনি মানুষের সাথে কেমন ছিলেন, সেটিও মনে রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সুন্দর চেহারার চেয়েও উত্তম আখলাক মানুষের মর্যাদা বাড়ায়।
- নবীজির বাহ্যিক সৌন্দর্যের সাথে চরিত্রের সৌন্দর্যও বর্ণিত হয়েছে।
- মাঝারি গড়ন ও ভারসাম্যপূর্ণ বর্ণনা সাহাবিদের স্মৃতিতে ছিল।
- নবীজির আখলাক জানা তাঁর অনুসরণের পথে সাহায্য করে।
