৪৩/২৯. অধ্যায়ঃ

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৫১২ - হাসান (রাঃ)-এর নবীজির সাথে সাদৃশ্য

তাঁর বার্ধক্যের বর্ণনা।

হাসান ইবনু আলী (রাঃ) নবীজির সদৃশ ছিলেন

আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৫১২

حديث أَبِي جُحَيْفَةَ رضي الله عنه، قَالَ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَكَانَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَلَيْهِمَا السَّلاَمُ، يُشْبِهُهُ

আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি নবী (ﷺ)-কে দেখেছি। হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ) ছিলেন তাঁরই সদৃশ।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬১: মর্যাদা ও গুণাবলী, অধ্যায় ২৩, হাঃ ৩৫৪৪; মুসলিম, পর্ব ৪৩: ফাযায়েল, অধ্যায় ২৯, হাঃ ২৩৪২

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৫১২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আবূ জুহাইফা (রাঃ) খুব সংক্ষিপ্তভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছেন। তিনি বলেন, আমি নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে দেখেছি, আর হাসান ইবনু আলী (রাঃ) ছিলেন তাঁরই সদৃশ। এখানে মূল বিষয় হলো হাসান (রাঃ)-এর সাথে নবীজির চেহারাগত সাদৃশ্য। বর্ণনাটি পরিবার, ভালোবাসা ও নবীজির বংশের সাথে সম্পর্কিত হলেও হাদিসে সরাসরি শুধু সাদৃশ্যের কথা এসেছে। তাই এর বাইরে বাড়তি ইতিহাস বা ঘটনা যোগ না করাই ভালো। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, সাহাবিরা নবীজির চেহারা এত স্পষ্টভাবে মনে রাখতেন যে কারও মধ্যে সেই মিল দেখলে তা উল্লেখ করতেন। যারা নবীজির পরিবার ও তাঁর শারীরিক বর্ণনা সম্পর্কে জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হাসান ইবনু আলী (রাঃ)-এর সাথে নবীজির সাদৃশ্য বর্ণিত হয়েছে।
  • সাহাবিরা নবীজির চেহারা স্পষ্টভাবে মনে রেখেছিলেন।
  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় বাড়তি ঘটনা যোগ করা উচিত নয়।
  • নবীজির পরিবার সম্পর্কে ভালোবাসা ও সম্মান রাখা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন