৫১/১৭. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮২৩ - কবরের আযাব সম্পর্কে সতর্কতা
মৃত ব্যক্তিকে জান্নাতে বা জাহান্নামে তার স্থান দেখানো হয়, কবরের শাস্তির প্রমাণ এবং তা থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা।
কবরের আযাব: রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সতর্ক করা একটি ঘটনা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৮২৩
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৮২৩
حديث أَبِي أَيُّوبَ رضي الله عنه قَالَ: خَرَجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَدْ وَجَبَتِ الشَّمْسُ، فَسَمِعَ صَوْتًا فَقَالَ: يَهُودُ تُعَذَّبُ فِي قُبُورِهَا
আবূ আইয়ূব আল আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
(একবার) সূর্য ডুবে যাওয়ার পর নবী (ﷺ) বের হলেন। তখন তিনি একটি আওয়াজ শুনতে পেয়ে বলেনঃ ইয়াহূদীদের কবরে আযাব দেয়া হচ্ছে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ২৩: জানাযা, অধ্যায় ৮৭, হাঃ ১৩৭৫; মুসলিম, পর্ব ৫১: জান্নাত, তার বিবরণ, আনন্দ-উপভোগ ও তার বাসিন্দা, অধ্যায় ১৭, হাঃ ২৮৬৯
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি ছোট হলেও এর বার্তা খুব গভীর। বর্ণনায় এসেছে, সূর্য ডুবে যাওয়ার পর নবী (صلى الله عليه وسلم) বের হলেন। তিনি একটি আওয়াজ শুনলেন এবং বললেন, ইয়াহূদীদের ক্ববরে আযাব দেয়া হচ্ছে। এই হাদিসে কবরের আযাবের বিষয়টি সরাসরি এসেছে। এখানে দীর্ঘ ব্যাখ্যা বা অন্য কোনো ঘটনা যোগ করার সুযোগ নেই, কারণ হাদিসের ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত। মূল কথা হলো, কবরের জীবন শুধু নীরব থাকা নয়; আল্লাহ যেভাবে চান, সেখানে আযাবও হতে পারে। কবরের আযাব, মৃত্যুর পর জীবন এবং আখিরাতের সতর্কতা নিয়ে যারা খোঁজ করেন, এই হাদিস তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি মানুষকে নিজের ঈমান, কাজ এবং পরিণতি নিয়ে ভাবতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কবরের আযাব একটি বাস্তব বিষয় হিসেবে হাদিসে এসেছে।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) শোনা আওয়াজের ব্যাখ্যায় কবরের আযাবের কথা বলেছেন।
- মৃত্যুর পরের জীবন সম্পর্কে উদাসীন থাকা ঠিক নয়।
- আখিরাতের ভয় মানুষকে নিজের কাজ নিয়ে সতর্ক করে।
