৫/১৩. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৩২২ - কেবলার দেয়াল পরিষ্কার রাখার শিক্ষা
সালাতে বা সালাতের বাইরে মসজিদে থুতু ফেলা নিষিদ্ধ।
মসজিদ পরিষ্কার রাখা: কেবলার দেয়ালের সম্মান
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৩২২
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৩২২
حديث عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى فِي جِدار الْقِبْلَةِ مُخاطًا، أَوْ بُصَاقًا، أَوْ نُخَامةً فَحَكَّهُ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) কেবলার দিকের দেয়ালে নাকের শ্লেষ্মা, থুথু কিংবা কফ দেখলেন এবং তা পরিষ্কার করলেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৮; সালাত, অধ্যায় ২৩, হাঃ ৪০৭; মুসলিম, পর্ব ৫; মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহের বর্ণনা, অধ্যায় ১৩, হাঃ ৫৪৯
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৩২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কেবলার দিকের দেয়াল পরিষ্কার রাখার বিষয়টি এসেছে। আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم) কেবলার দেয়ালে নাকের শ্লেষ্মা, থুথু কিংবা কফ দেখলেন এবং নিজ হাতে তা পরিষ্কার করলেন। এখানে বড় শিক্ষা হলো, মসজিদ শুধু নামাজ পড়ার জায়গা নয়; এটি সম্মানের জায়গা। বিশেষ করে কেবলার দিক মুসল্লিদের সামনে থাকে, তাই সেখানে নোংরা কিছু রাখা আরও বেশি অশোভন। মসজিদ পরিষ্কার রাখার হাদিস হিসেবে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাসূল (صلى الله عليه وسلم) কথা বলেই থেমে যাননি, কাজ করে দেখিয়েছেন। এতে বোঝা যায়, মসজিদের পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। কেউ ভুল করলে তার দাগও মুছে দেওয়া উচিত, যাতে ইবাদতের পরিবেশ সুন্দর থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কেবলার দিকের দেয়াল বা জায়গা পরিষ্কার রাখা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- মসজিদে নোংরা কিছু দেখলে তা সরিয়ে দেওয়া ভালো কাজ।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم নিজ হাতে পরিষ্কার করে বাস্তব আদব শিখিয়েছেন।
- ইবাদতের পরিবেশ সুন্দর রাখা মুসলিম সমাজের দায়িত্ব।
