৫/১৬. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৩২৭ - খাবার উপস্থিত হলে আগে খাবার
খাবার উপস্থিত হলে সালাত অপছন্দনীয়।
খাবার উপস্থিত হলে সালাতের আগে কী করবে?
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৩২৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৩২৭
حديث أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِذَا وُضِعَ الْعَشَاءُ وَأُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যদি খাবার উপস্থিত হয়ে যায় আর সালাতের ইকামাত দেয়া হয়, তাহলে প্রথমে রাতের খাবার খাবে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭০: খাওয়া-খাদ্য, অধ্যায় ৫৮, হাঃ ৫৪৬৫; মুসলিম, পর্ব ৫: মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহের বর্ণনা, অধ্যায় ১৬, হাঃ ৫৫৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৩২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খাবার ও সালাতের সময় একসাথে হলে কী করা উচিত, তা বলা হয়েছে। আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যদি খাবার উপস্থিত হয়ে যায় আর সালাতের ইকামাত দেওয়া হয়, তাহলে প্রথমে রাতের খাবার খাবে। এখানে মূল বিষয় হলো তাড়াহুড়া বা অস্থিরতা কমানো। সামনে খাবার রাখা থাকলে মন খাবারের দিকে যেতে পারে। তাই এই হাদিসে আগে খাবার খাওয়ার নির্দেশ এসেছে। খাবার উপস্থিত হলে সালাতের হাদিস হিসেবে এটি খুব পরিচিত। তবে হাদিসে যে অবস্থার কথা এসেছে, সেটি হলো খাবার উপস্থিত থাকা এবং সালাতের ইকামাত হওয়া। ব্যাখ্যায় সেই সীমা রাখা জরুরি। উদ্দেশ্য হলো, মনকে স্থির রেখে ইবাদত করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খাবার সামনে উপস্থিত থাকলে আগে খাবার খাওয়ার নির্দেশ এসেছে।
- সালাতে অস্থিরতা কমানো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- হাদিসের নির্দেশ নির্দিষ্ট অবস্থার সাথে যুক্ত।
- ইবাদতে মন স্থির রাখার জন্য বাস্তব প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়েছে।
