৭/৯. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৪৯৮ - জুমার সালাতের সময়
সূর্য ঢলে যাওয়ার সাথে সাথেই জুমার সালাতের সময়।
জুমার সালাতের সময়: ছায়া পড়ার আগেই ঘরে ফেরার বর্ণনা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৪৯৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৪৯৮
حديث سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ قَالَ: كُنَّا نُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْجُمُعَةَ ثُمَّ نَنْصَرِفُ وَلَيْسَ لِلْحِيطَانِ ظِلٌّ نَسْتَظِلُّ فِيهِ
সালামাহ ইবনুল আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে জুমু‘আহ্র সালাত আদায় করে যখন বাড়ি ফিরতাম তখনও প্রাচীরের ছায়া পড়ত না, যে ছায়ায় আশ্রয় নেয়া যেতে পারে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৪ : মাগাযী, অধ্যায় ৩৫, হাঃ ৪১৬৮; মুসলিম, পর্ব ৭; জুমুআহর বর্ণনা, অধ্যায় ৯, হাঃ ৮৬০
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৪৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় জুমার সালাতের সময়ের একটি বাস্তব চিত্র। সালামাহ ইবনুল আকওয়া (রাঃ) বলেন, তাঁরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে জুমার সালাত আদায় করে বাড়ি ফিরতেন। তখনও প্রাচীরের এমন ছায়া পড়ত না, যে ছায়ায় আশ্রয় নেওয়া যায়। হাদিসটি সরাসরি সময়ের ঘড়ি বলে না, তবে ছায়ার অবস্থা দিয়ে বুঝিয়েছে যে তারা বেশ আগে ফিরতেন। তাই ‘জুমার সালাতের সময়’ বা ‘নবী صلى الله عليه وسلم কখন জুমা পড়তেন’—এ ধরনের খোঁজে এই হাদিস প্রাসঙ্গিক। এখানে অতিরিক্ত সময় নির্দিষ্ট করা হয়নি। শুধু এটুকু বলা যায়, বর্ণনাকারী জুমার পর ফেরার সময় দেয়ালের ছায়া কম থাকার কথা জানিয়েছেন। তাই এই বর্ণনায় সময় বোঝার জন্য ছায়ার দৃশ্যটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। অতিরিক্ত সময় নির্ধারণ না করে এই সীমাতেই বোঝা নিরাপদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবীগণ নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে জুমার সালাত আদায় করতেন।
- সালাত শেষে ফিরেও আশ্রয় নেওয়ার মতো দেয়ালের ছায়া থাকত না।
- হাদিসটি জুমার সময় সম্পর্কে একটি ইঙ্গিত দেয়।
- নির্দিষ্ট ঘড়ির সময় নয়, ছায়ার অবস্থাই বর্ণনায় এসেছে।
