১৩/১০. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৬৮ - সূর্যাস্তের পর ইফতারের সময়
সাওম ভঙ্গ করার সময় এবং দিবাভাগের অবসান।
সূর্য ডুবলে ইফতার: রোজাদারের সময় বোঝার হাদিস
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৬৬৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৬৬৮
حديث عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِذَا أَقْبَلَ اللَّيْلُ مِنْ ههُنَا، وَأَدْبَرَ النَّهَارُ مِنْ ههُنَا، وَغَرَبَتِ الشَّمْسُ فَقَدْ أَفْطَرَ الصَّائمُ
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যখন রাত্র সে দিক হতে ঘনিয়ে আসে ও দিন এ দিক হতে চলে যায় এবং সূর্য ডুবে যায়, তখন সায়িম ইফতার করবে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩০: সওম, অধ্যায় ৪৩, হাঃ ১৯৫৪; মুসলিম, পর্ব ১৩ : সওম, অধ্যায় ১০, হাঃ ১১০০
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইফতারের সময় খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। রাসূল صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যখন রাত এক দিক থেকে ঘনিয়ে আসে, দিন অন্য দিক থেকে চলে যায় এবং সূর্য ডুবে যায়, তখন সায়িম বা রোজাদার ইফতার করবে। এখানে মূল চিহ্ন হলো সূর্যাস্ত। ‘ইফতার কখন করতে হয়’ বা ‘সূর্য ডোবার পর রোজা ভাঙা’—এসব প্রশ্নের জন্য এই হাদিস সরাসরি পথ দেখায়। এতে বোঝা যায়, ইফতারের সময় কোনো দীর্ঘ অপেক্ষা নয়; বরং সূর্য ডোবা ও রাতের আগমন লক্ষ্য করা। হাদিসের বক্তব্য খুব সহজ: রোজার সময় দিনের শেষ পর্যন্ত, তারপর ইফতার। এতে ইবাদতের সীমা এবং সময় দুটোই সুন্দরভাবে স্পষ্ট হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূর্য ডুবে গেলে ইফতারের সময় হয়।
- রাতের আগমন ও দিনের বিদায় ইফতারের চিহ্ন হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
- রোজার সময়সীমা হাদিসে স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে।
