৪/৩৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৫৪-[৫] - রাতের সালাত দুই রাকআত করে
আমলে ভারসাম্য বজায় রাখা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
রাতের সালাত দুই রাকআত করে পড়া
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১২৫৪-[৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১২৫৪-[৫]
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: صَلَاةُ اللَّيْلِ مَثْنى مَثْنى فَإِذَا خَشِيَ أَحَدُكُمُ الصُّبْحَ صَلّى رَكْعَةً وَاحِدَةً تُوْتِرُ لَه مَا قَدْ صَلّى. (مُتَّفق عَلَيْهِ)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন : রাত্রের (নফল) সালাত দুই রাকাত দুই রাকাত করে (আদায় করতে হয়)। কারো ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকাবোধ হলে সে যেন (দুইরাকাতের) সাথে সাথে আরো এক রাকাত আদায় করে নেয়। তাহলে এ রাকাত পূর্বে আদায় করা সালাতকে বেজোড় করে দেবে। (বুখারী, মুসলিম) [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৪৭৩, মুসলিম ৭৪৯।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২৫৪-[৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাতের নফল সালাতের পদ্ধতি খুব সংক্ষেপে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, রাতের সালাত দুই রাকআত দুই রাকআত করে আদায় করতে হয়। যদি কারও ভোর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয়, তাহলে সে যেন এক রাকআত আদায় করে নেয়। সেই এক রাকআত তার আগের সালাতগুলোকে বেজোড় করে দেবে। এই হাদিসে তাহাজ্জুদ, কিয়ামুল লাইল এবং বিতরের সম্পর্ক স্পষ্ট হয়েছে। রাতের সালাত দীর্ঘও হতে পারে, সংক্ষিপ্তও হতে পারে; কিন্তু পদ্ধতিতে দুই রাকআত করে পড়া এবং শেষে বিতর করার শিক্ষা এসেছে। তাই রাতের সালাতের নিয়ম জানতে এই হাদিস খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতের নফল সালাত দুই রাকআত করে আদায় করা হয়।
- ভোরের আশঙ্কা হলে এক রাকআত বিতর পড়ার নির্দেশ এসেছে।
- বিতর আগের রাতের সালাতকে বেজোড় করে দেয়।
- রাতের সালাতে সময়ের প্রতি খেয়াল রাখা দরকার।
