৪/৪৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৪০৯-[২৩] - খুতবায় সূরা ক্বাফ পাঠ
পবিত্রতা অর্জন ও সকাল সকাল মসজিদে গমন - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
জুমার খুতবায় সূরা ক্বাফ তিলাওয়াত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৪০৯-[২৩]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৪০৯-[২৩]
وَعَنْ أُمِّ هِشَامٍ بِنْتِ حَارِثَةَ بْنِ النُّعْمَانِ قَالَتْ: مَا أَخَذْتُ ﴿قٓ- وَالْقُرْانِ الْمَجِيْدِ﴾ [قٓ 50 : 1] إِلَّا عَنْ لِسَانِ رَسُولِ اللّهِ ﷺ يَقْرَؤُهَا كُلَّ جُمُعَةٍ عَلَى الْمِنْبَرِ إِذَا خَطَبَ النَّاسَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
উম্মু হিশাম বিনতু হারিসাহ্ ইবনুল নু‘মান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি কোরআন মাজীদের “সূরা ক্বাফ ওয়াল কোরআনিল মাজীদ” রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুখ থেকে শুনে শুনেই মুখস্থ করেছি। প্রত্যেক জুম‘আয় তিনি মিম্বারে উঠে খুতবার প্রাক্কালে এ সূরা পাঠ করতেন। (মুসলিম) [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৮৭৩, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৫৭৭৯, ইবনু আবী শায়বাহ্ ৫২০২।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৪০৯-[২৩]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উম্মু হিশাম বিনতু হারিসা (রাঃ) বলেন, তিনি সূরা ক্বাফ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ থেকে শুনে শুনেই মুখস্থ করেছেন। কারণ, নবীজি প্রতি জুমু’আয় মিম্বারে উঠে খুতবাহ্ দেওয়ার সময় এই সূরা পাঠ করতেন। এখানে জুমার খুতবা, সূরা ক্বাফ এবং কুরআন তিলাওয়াতের বিষয়টি স্পষ্টভাবে এসেছে। এতে বোঝা যায়, খুতবাহ্ শুধু সাধারণ বক্তব্য ছিল না; কুরআনের আয়াত মানুষকে শুনানোও তার অংশ ছিল। একজন শ্রোতা নিয়মিত শুনে একটি সূরা মুখস্থ করে ফেলেছেন—এটি খুতবাহ্ মন দিয়ে শোনার সুন্দর দিকও দেখায়। তবে হাদিসে যেটুকু এসেছে, আমরা সেটুকুই বলি: নবীজি খুতবাহ্তে সূরা ক্বাফ পাঠ করতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার খুতবাহ্তে কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব আছে।
- মনোযোগ দিয়ে শুনলে কুরআনের আয়াত হৃদয়ে বসে যায়।
- নবীজির খুতবাহ্ ছিল কুরআনভিত্তিক উপদেশের মাধ্যম।
