৫/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৫৮৭-[৬৫] - রোগী দেখার সময় সম্পর্কে শিক্ষা
রোগী দেখা ও রোগের সওয়াব - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
রোগী দেখার সময় ও নববী আদব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৫৮৭-[৬৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৫৮৭-[৬৫]
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ ﷺ لَا يَعُوْدُ مَرِيْضًا إِلَّا بَعْدَ ثَلَاثٍ. رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ وَالْبَيْهَقِيُّ فِي شُعَبِ الْإِيمَانِ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর নবী (ﷺ) কোন রোগীকে (রোগগ্রস্ত হবার পর) তিনদিন না হওয়া পর্যন্ত দেখতে যেতেন না। [১]
[১] মাওযূ‘ : ইবনু মাজাহ্ ১৪৩৭, শু‘আবুল ঈমান ৮৭৮১, সিলসিলাহ্ আয্ য‘ঈফাহ্ ১৪৫, য‘ঈফ আল জামি‘ ৪৪৯৯। শায়খ আলবানী (রহঃ) বলেন, এর সানাদে ইবনু জুরায়জ একজন মুদ্দালিস রাবী এবং মাসলামাহ্ বিন ‘আলী মিথ্যার অপবাদপ্রাপ্ত।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৫৮৭-[৬৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, আল্লাহর নবী (صلى الله عليه وسلم) কোনো রোগীকে রোগগ্রস্ত হওয়ার পর তিন দিন না হওয়া পর্যন্ত দেখতে যেতেন না। হাদিসটির মূল শিক্ষা রোগী দেখার সময় ও রোগীর অবস্থার দিকে খেয়াল করা। অসুস্থতার শুরুতে রোগী ও তার পরিবার অনেক সময় ব্যস্ত থাকে, চিকিৎসা, বিশ্রাম ও মানসিক স্থিরতার দরকার হয়। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, রোগী দেখাও একটি আদবের কাজ; শুধু যাওয়াই যথেষ্ট নয়, কখন যাওয়া রোগীর জন্য ভালো—এটিও ভাবতে হয়। তবে হাদিসের বাইরে সাধারণ নিয়ম বানিয়ে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। সরাসরি বর্ণনায় যা আছে, তা হলো নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি আমল: রোগীর অসুস্থতার পর তিন দিন অতিক্রম না হওয়া পর্যন্ত দেখা করতে না যাওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোগী দেখার সময় রোগীর অবস্থা বিবেচনা করা উচিত।
- অসুস্থ মানুষের আরামকে গুরুত্ব দিতে হয়।
- রোগী দেখা আদবের সঙ্গে করা দরকার।
- বর্ণনার সীমা মেনে আমল বোঝা উচিত।
