৫/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৫৯০-[৬৮] - রোগী দেখতে অল্প সময় নেওয়া
রোগী দেখা ও রোগের সওয়াব - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
রোগী দেখতে অল্প সময় নেওয়ার হাদিস
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৫৯০-[৬৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৫৯০-[৬৮]
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «اَلْعِيَادَةُ فَوَاقُ نَاقَةٍ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ রোগী দেখতে অল্প সময় নেবে। [১]
[১] য‘ঈফ : শু‘আবুল ঈমান ৮৭৮৬, সিলসিলাহ্ আয্ য‘ঈফাহ্ ৩৯৫৪, য‘ঈফ আল জামি‘ আস্ সগীর ৩৮৯৯। শায়খ আলবানী (রহঃ) বলেন, এর সানাদে ইসমা‘ঈল বিন আল ক্বাসিম একজন দুর্বল রাবী এবং আবূ ‘আলী আল আনাযীও একজন দুর্বল রাবী যেমনটি হাফিয হাজার ‘তাকরীবে’ বলেছেন।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৫৯০-[৬৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) রোগী দেখতে অল্প সময় নেওয়ার কথা বলেছেন। আরবি বর্ণনায় সংক্ষিপ্ত সময় বোঝাতে এমন ভাষা এসেছে যা খুব অল্প বিরতির দিকে ইঙ্গিত করে। এর মূল শিক্ষা হলো, রোগী দেখতে গিয়ে দীর্ঘ বসে থাকা নয়; বরং খোঁজ নেওয়া, দোয়া করা, সান্ত্বনা দেওয়া এবং রোগীর বিশ্রামের সুযোগ রাখা। অনেক সময় ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে মানুষ রোগীর পাশে বেশি সময় বসে থাকে, বেশি কথা বলে, নানা প্রশ্ন করে। কিন্তু রোগী তখন ক্লান্ত থাকতে পারে। এই হাদিস রোগী দেখার আদবকে সহজ করে দেয়—কম সময়, নরম কথা, দোয়া এবং দ্রুত বিদায়। রোগীর সুবিধা আগে ভাবা ইসলামের সুন্দর আচরণের অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোগী দেখার সময় সংক্ষিপ্ত রাখা উচিত।
- রোগীর বিশ্রামকে গুরুত্ব দিতে হয়।
- ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে রোগীকে ক্লান্ত করা ঠিক নয়।
- দোয়া ও সান্ত্বনা দিয়ে দ্রুত উঠে আসা ভালো আদব।
