৮/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৪৪-[৩৬] - আয়াতুল কুরসী ও সকাল-সন্ধ্যার হিফাযত
কুরআনের মর্যাদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
আয়াতুল কুরসী ও সকাল-সন্ধ্যার হিফাযত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২১৪৪-[৩৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২১৪৪-[৩৬]
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: مَنْ قَرَأَ ﴿حٰمٓ﴾ الْمُؤْمِنَ إِلٰى (إِلَيْهِ الْمَصِيرُ). وَاٰيَةَ الْكُرْسِىِّ حِينَ يُصْبِحُ حُفِظَ بِهِمَا حَتّٰى يُمْسِىَ. وَمَنْ قَرَأَ بِهِمَا حِينَ يُمْسِىْ حُفِظَ بِهِمَا حَتّٰى يَصْبَحَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَالدَّرِامِىُّ وَقَالَ التِّرْمِذِىُّ هٰذَا حَدِيْثٌ غَرِيْبٌ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে সূরা হা-মীম ‘‘আল মু’মিন..... ইলায়হিল মাসীর’’ পর্যন্ত ও আয়াতুল কুরসী পড়বে, তাকে এর বারাকাতে সন্ধ্যা পর্যন্ত হিফাযাতে রাখা হবে। আর যে ব্যক্তি তা সন্ধ্যায় পড়বে তাকে সকাল পর্যন্ত নিরাপদ রাখা হবে- (তিরমিযী ও দারিমী। কিন্তু ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি গরীব।)[১]
[১] য‘ঈফ : তিরমিযী ২৮৭৯, য‘ঈফ আল জামি‘ ৫৭৬৯, শু‘আবূল ঈমান ২২৪৫। কারণ এর সানাদে ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর আল মুলায়কী স্মৃতিশক্তিগত ত্রুটির কারণে একজন দুর্বল রাবী।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৪৪-[৩৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সকাল-সন্ধ্যার কুরআনি আমলের কথা এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে সূরা হা-মীম আল মু’মিনের শুরু থেকে ‘ইলায়হিল মাসীর’ পর্যন্ত এবং আয়াতুল কুরসী পড়বে, তাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হিফাযাতে রাখা হবে। আর সন্ধ্যায় পড়লে সকাল পর্যন্ত হিফাযাতে রাখা হবে। এখানে মূল কথা হলো, দিনের শুরু ও রাতের শুরু কুরআনের আয়াত দিয়ে সাজানো। আয়াতুল কুরসী ও সূরা মু’মিনের আয়াত পাঠ মানুষের মনে আল্লাহর প্রতি ভরসা বাড়ায়। তবে বর্ণনার শেষে ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদিসটি গরীব। তাই এই আমলকে ফজিলতের বর্ণনা হিসেবে বুঝতে হবে এবং আল্লাহর কাছে হিফাযতের আশা রাখতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সকাল ও সন্ধ্যায় কুরআনের আয়াত পড়া সুন্দর আমল।
- আয়াতুল কুরসী আল্লাহর হিফাযতের আশার সাথে জড়িত একটি বড় আয়াত।
- দিনের শুরু ও রাতের শুরুতে আল্লাহকে স্মরণ করা মুমিনের অভ্যাস হওয়া উচিত।
- হাদিসের মান সম্পর্কে সতর্কতা থাকলে ফজিলত বুঝতে ভারসাম্য রাখা দরকার।
