২/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৮-[৭১] - ইলম থেকে উপকৃত না হওয়ার পরিণতি
ইলম (বিদ্যা) - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
ইলম থেকে উপকৃত না হওয়া কেন বড় সতর্কতার বিষয়
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৬৮-[৭১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৮-[৭১]
وَعَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ إِنَّ مِنْ أَشَرِّ النَّاسِ عِنْدَ اللهِ مَنْزِلَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَالِمًا لَا يَنْتَفِعُ بِعِلْمِه. رَوَاهُ الدَّارِمِيُّ
আবুদ্ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট মর্যাদার দিক দিয়ে সর্বাধিক মন্দ সে ব্যক্তি হবে, যে তার ইলমের দ্বারা উপকৃত হতে পারেনি। [১]
[১] খুবই দুর্বল : দারিমী ২৬২। কারণ এর সানাদে ‘‘আবুল ক্বাসিম ইবনু ক্বায়স’’ নামে একজন মাজহুল বা অপরিচিত রাবী রয়েছে।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৮-[৭১]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবূ দারদা (রাঃ) বলেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে মর্যাদার দিক দিয়ে সবচেয়ে মন্দদের মধ্যে সে ব্যক্তি থাকবে, যে আলিম হয়েও নিজের ইলম দ্বারা উপকৃত হয়নি। এখানে ‘অনুপকারী ইলম’ বিষয়ে গভীর সতর্কতা আছে। ইলম শুধু মানুষের সামনে বলা, মুখস্থ রাখা বা পরিচয় বানানোর জন্য নয়। ইলমের আসল কাজ হলো মানুষকে সঠিক পথে চলতে সাহায্য করা। যদি একজন মানুষ জ্ঞান রাখে, কিন্তু সেই জ্ঞান তার নিজের আমল, ভয়, সতর্কতা ও চরিত্রে প্রভাব না ফেলে, তাহলে সেটি তার জন্য দায় হয়ে যেতে পারে। তাই ইলম শেখার সঙ্গে সঙ্গে নিজের জীবনেও তা প্রয়োগের চেষ্টা করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইলম থেকে নিজের উপকার নেওয়া জরুরি।
- শুধু জানা যথেষ্ট নয়; জ্ঞান জীবনেও প্রভাব ফেলতে হবে।
- কিয়ামতের হিসাবের কথা মনে রেখে ইলমের হক আদায় করা দরকার।
- অনুপকারী ইলম মানুষের জন্য দায় হয়ে যেতে পারে।
