১৩/১. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩১২৩-[২৬] - নবী صلى الله عليه وسلم-এর ঘরের শালীনতা

পাত্রী দেখা (বিবাহের প্রস্তাব) ও সতর (পর্দা) প্রসঙ্গে - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

লজ্জাশীলতা: ঘরের ভেতরেও শালীন আচরণ

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩১২৩-[২৬]

وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: مَا نَظَرْتُ أَوْ مَا رَأَيْتُ فَرْجَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم قطّ. رَوَاهُ ابْن مَاجَه

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি কখনো রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর লজ্জাস্থানের দিকে দৃষ্টিপাত করিনি।

[১] য‘ঈফ : ইবনু মাজাহ ৬৬২, ১৯২২, আহমাদ ২৫৫৬৮, ইরওয়া ১৮১২। কারণ এর সনদে মাওলা ‘আয়িশাহ্ মাজহূল রাবী।

অনুবাদের উৎস

প্রকাশক:
হাদিস একাডেমী
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩১২৩-[২৬]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে লজ্জাশীলতা ও দৃষ্টির শালীনতার একটি সূক্ষ্ম দিক এসেছে। আয়িশা (রা.) বলেন, তিনি কখনো রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর লজ্জাস্থানের দিকে দৃষ্টিপাত করেননি। হাদিসটির ভাষা সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শিক্ষা গভীর। এটি দেখায়, স্বামী-স্ত্রীর ঘরোয়া জীবনের মধ্যেও আদব, সম্মান ও লজ্জার জায়গা আছে। ইসলাম শালীনতাকে শুধু বাইরে মানুষের সামনে সীমাবদ্ধ রাখে না; ঘরের ভেতরেও সম্মানজনক আচরণ শেখায়। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, দৃষ্টি সংযম ও লজ্জা মুমিনের চরিত্রকে সুন্দর করে। তাই সম্পর্ক যত কাছেরই হোক, সম্মান ও শালীনতা বজায় রাখা প্রশংসনীয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ঘরোয়া জীবনেও লজ্জা ও শালীনতা সুন্দর চরিত্রের অংশ।
  • দৃষ্টি সংযম শুধু বাইরের মানুষের জন্য নয়, নিজের আচরণেও জরুরি।
  • স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে সম্মান ও আদব থাকা উচিত।
  • সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও বড় নৈতিক শিক্ষা পাওয়া যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন