১৫/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৪০৮-[৩] - প্রতীমা ও পূর্বপুরুষের নামে কসম নয়
কসম ও মানত - প্রথম অনুচ্ছেদ
প্রতীমা ও বাপ-দাদার নামে কসমের নিষেধ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৪০৮-[৩]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৪০৮-[৩]
وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَحْلِفُوا بِالطَّوَاغِي وَلَا بِآبَائِكُمْ». رَوَاهُ مُسلم
'আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমরা আল্লাহদ্রোহীর (প্রতিমার) নামে ও তোমাদের বাপ-দাদার নামে কম করো না।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৬৪৮, ইবনু মাজাহ ২০৯৫।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৪০৮-[৩]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم খুব সংক্ষেপে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তোমরা আল্লাহদ্রোহী প্রতীমার নামে এবং তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করো না। কসমের বিষয়টি মানুষের মুখের অভ্যাসের সঙ্গে জড়িয়ে যেতে পারে, কিন্তু হাদিসটি দেখায় যে সব অভ্যাস গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতীমা বা পূর্বপুরুষের নামে কসম করা তাওহীদের আদবের সঙ্গে যায় না। তাই এই বর্ণনা আল্লাহর নামে কসম, শির্ক থেকে সতর্কতা এবং কথার শুদ্ধতা—এসব বিষয় শেখায়। হাদিসে কোনো দীর্ঘ ব্যাখ্যা নেই, তবে নির্দেশটি পরিষ্কার। কসমের ভাষা যেন আল্লাহর মর্যাদা এবং ঈমানের শুদ্ধতার সঙ্গে মানানসই হয়, সেটিই এখানে মূল বার্তা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রতীমার নামে কসম করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
- বাপ-দাদার নামে কসম করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- মুখের অভ্যাসকে ইসলামী আদবের আলোকে ঠিক করা দরকার।
- কসমের ভাষায় তাওহীদের শিক্ষা রক্ষা করা জরুরি।
