১৬/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫২৫-[১৬] - মুখে আঘাত না করার আদব
যে সব অপরাধের ক্ষতিপূরণ (জরিমানা) নেই - প্রথম অনুচ্ছেদ
মুখমণ্ডলে আঘাত না করার নববী নির্দেশ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৫২৫-[১৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৫২৫-[১৬]
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا قَاتَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيَجْتَنِبِ الْوَجْهَ فَإِنَّ اللَّهَ خَلَقَ آدَمَ عَلَى صُورَتِهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কোনো ব্যক্তিকে মারধর করে, তাহলে যেন মুখমণ্ডলে না মারে। কেননা, আল্লাহ তা'আলা আদাম (আঃ)-কে তাঁর আকৃতিতেই সৃষ্টি করেছেন।
[১] সহীহ : বুখারী ২৫৫৯, মুসলিম ২৬১২, আহমাদ ৭৩২৩, সহীহাহ্ ৮৬২, সহীহ আল জামি‘ ৭০৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫২৫-[১৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কেউ যদি কারও সঙ্গে লড়াই বা মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে, তবে সে যেন মুখমণ্ডলে আঘাত না করে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, আল্লাহ আদম (আঃ)-কে তাঁর আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। হাদিসটির ভাষা আমাদের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা দেয়: রাগের সময়ও সীমা আছে। মানুষকে আঘাত করা কোনো সহজ বিষয় নয়, আর মুখমণ্ডল মানুষের পরিচয়, সম্মান ও মর্যাদার বড় অংশ। তাই “মুখে আঘাত না করা”, “মানব মর্যাদা”, “আদমের আকৃতি” এই হাদিসের প্রধান বিষয়। এটি শত্রুতা বা উত্তেজনার মুহূর্তেও সংযম শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাগ বা সংঘর্ষের সময়ও সীমা মানতে হয়।
- মুখমণ্ডলে আঘাত করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ এসেছে।
- মানুষের মর্যাদা রক্ষা ইসলামী আচরণের অংশ।
- আঘাতের ক্ষেত্রেও নিষেধ ও আদব আছে।
