৩/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৮৬-[১১] - জিবরীল আ.-এর তাগিদে মিসওয়াকের গুরুত্ব
মিসওয়াক করা প্রসঙ্গে - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
জিবরীল আ.-এর তাগিদে মিসওয়াকের গুরুত্ব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৮৬-[১১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৮৬-[১১]
وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ مَا جَاءَنِي جِبْرِيْلُ عَلَيْهِ السَّلَام قَطُّ اِلَّا أَمَرَنِي بِالسِّوَاكِ لَقَدْ خَشِيتُ أَنْ أُحْفِيَ مُقَدَّمَ فِيَّ. رَوَاهُ اَحْمَد
আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যখনই জিবরীল (আঃ) আমার কাছে আসতেন আমাকে মিসওয়াক করার তাগিদ দিতেন; এমনকি আমার ভয় হল যে, (মিসওয়াক করার দরুন) আমার মুখের সম্মুখভাগ যেন আবার ক্ষত-বিক্ষত না করে ফেলি। [১]
[১] খুবই দুর্বল : আহমাদ ২১৭৬৬, য‘ঈফুল জামি‘ ৫০৫০।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৮৬-[১১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, জিবরীল আ. যখনই তাঁর কাছে আসতেন, তাঁকে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন। বারবার এই তাগিদের কারণে নবী صلى الله عليه وسلم এমন আশঙ্কা করেছিলেন যে বেশি মিসওয়াক করতে গিয়ে মুখের সামনের অংশে কষ্ট না হয়ে যায়। হাদিসটির মূল বার্তা হলো মিসওয়াকের গুরুত্ব। এখানে জিবরীল আ.-এর বারবার তাগিদের কথা এসেছে, তাই মিসওয়াককে সাধারণ পরিচ্ছন্নতার কাজ হিসেবে নয়, বরং গুরুত্ব পাওয়া একটি সুন্নাত আমল হিসেবে দেখা যায়। তবে হাদিসে যা বলা হয়েছে, তার বাইরে গিয়ে কোনো বাধ্যতামূলক দাবি করা ঠিক নয়। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, মুখের পরিচ্ছন্নতা ও মিসওয়াকের ব্যাপারে নবী صلى الله عليه وسلم কতটা যত্নবান ছিলেন। মিসওয়াকের ফজিলত, মিসওয়াকের গুরুত্ব এবং নবীজির সুন্নাত—এই তিনটি বিষয় এখানে একসাথে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিসওয়াকের বিষয়ে জিবরীল আ.-এর তাগিদ হাদিসে এসেছে।
- নবী صلى الله عليه وسلم মিসওয়াকের গুরুত্বকে খুব গুরুত্ব দিয়ে নিয়েছেন।
- পরিচ্ছন্নতার কাজেও ইসলামে বিশেষ যত্ন শেখানো হয়েছে।
- সুন্নাত আমলে ধারাবাহিকতা রাখা ভালো অভ্যাস।
