১৯/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৮৬৩-[৩] - শেখা দক্ষতা ধরে রাখা
যুদ্ধাস্ত্রের প্রস্তুতিকরণ - প্রথম অনুচ্ছেদ
তীরন্দাজী শেখার পর চর্চা ছাড়ার সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৮৬৩-[৩]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৮৬৩-[৩]
وَعَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم يقولُ: «مَنْ علِمَ الرَّميَ ثمَّ تَرَكَهُ فَلَيْسَ مِنَّا أَوْ قَدْ عَصَى». رَوَاهُ مُسلم
‘উক্ববাহ্ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- কে বলতে শুনেছি। তিনি (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি তীরন্দাজী শিক্ষা গ্রহণ করে তা পরিহার (চর্চা না) করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়, অথবা সে নাফরমানি করল।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৯১৯, সহীহাহ্ ৩৪৪৮, সহীহ আল জামি‘ ৬৩৯৫, সহীহ আত্ তারগীব ১২৯৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৮৬৩-[৩]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি তীরন্দাজী শেখার পর তা ছেড়ে দেয়, সে আমাদের দলভুক্ত নয়, অথবা সে নাফরমানি করল। কথাটি খুব সতর্কতামূলক। এখানে মূল বিষয় হলো, যে দক্ষতা দ্বীনের প্রয়োজনীয় কাজে সহায়ক, তা শেখার পর অবহেলায় ফেলে রাখা উচিত নয়। তীরন্দাজী শুধু খেলা হিসেবে নয়, বরং প্রস্তুতি ও শক্তির অংশ হিসেবে এসেছে। তাই শেখা, চর্চা করা এবং ধারাবাহিকতা রাখা—এই তিনটি শিক্ষা হাদিসে স্পষ্ট। এতে অলসতা ও অবহেলার বিরুদ্ধে সরাসরি সতর্ক করা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উপকারী দক্ষতা শেখার পর তা অবহেলায় ছেড়ে দেওয়া ঠিক নয়।
- তীরন্দাজী চর্চা তখনকার যুদ্ধপ্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।
- শেখা কাজ ধরে রাখা দায়িত্বের অংশ হতে পারে।
- অবহেলা কখনো কখনো নাফরমানির দিকে নিয়ে যায়।
