৩/১. অধ্যায়ঃ
একদা রাসূল (ﷺ) আমাদের বললেন, জনসাধারণ তোমাদের অনুসারী হবে। আর দিক-দিগন্ত হতে তারা তোমাদের নিকট দ্বীনের জ্ঞান লাভ করার উদ্দেশ্যে আসবে। সুতরাং যখন তারা আসবে, তখন তোমরা তাদের সদুপদেশ দিবে।
তিরমিযী হা/২৬৫০; মিশকাত হা/২০৪, যঈফ তিরমিযী হা/২৬৫০। তাহক্বীক্ব : যঈফ।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, জ্ঞানের কথা মুমিনের হারানো সম্পদ। সুতরাং যে যেখানে পাবে সে-ই তার অধিকারী।
তিরমিযী হা/২৬৮৭; ইবনু মাজাহ হা/৪১৬৯; মিশকাত হা/২১৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/২০৫, ২/১৩ পৃঃ। তাহক্বীক্ব : যঈফ। ইবরাহীম ইবনু ফাযল নামের রাবী যঈফ। উল্লেখ্য যে, মিশকাতে হাকীম রয়েছে। কিন্তু মূল হাদীসে মুমিন রয়েছে।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, একজন ফক্বীহ শয়তানের উপর এক হাজার আবেদ অপেক্ষাও মারাত্মক।
তিরমিযী হা/২৬৮১; ইবনু মাজাহ হা/২০২; মিশকাত হা/২১৭; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/২০৬। আল-ইলালুল মুতানাহিয়াহ ১/১৩৪ পৃ:, আবু ইসহাক্ব আল-হুওয়াইনী, আন-নাফেলাতু ফিল আহাদীছিয যঈফাহ ওয়াল বাতিলাহ, পৃ: ৪৬-এর টীকা দ্র:, যঈফ তিরমিযী হা/২৬৮১; যঈফ ইবনে মাজাহ হা/২০২। তাহক্বীক্ব : হাদীসটি জাল। এর সনদে রূহ ইবনু জুনাহ নামে একজন রাবী আছে। সে মিথ্যুক বলে অভিযুক্ত।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ইলম তালাশ করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরজ এবং অপাত্রে ইলম স্থাপনকারী যেন শূকরের গলায় জহরত, মুক্তা বা স্বর্ণ স্থাপনকারীর ন্যায়।
ইবনু মাজাহ হা/২২৪; মিশকাত হা/২১৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/২০৭। যঈফ ইবনে মাজাহ হা/২২৪; যঈফুল জামে’ হা/৩৬২৬। সহীহ ইবনু মাজাহ হা/২২৪। তাহক্বীক্ব মিশকাত হা/২১৮-এর টীকা দ্র: ১/৭৬ পৃ:। তাহক্বীক্ব : উক্ত বর্ণনার শেষাংশ যঈফ। প্রথমাংশ সহীহ। তবে উক্ত অংশের সাথে ‘মুসলিমাতুন’ যোগ করার কোন ভিত্তি নেই।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইলম অন্বেষণ করবে, তার জন্য তা পূর্ববর্তী পাপ সমূহের কাফফারা হয়ে যাবে।
তিরমিযী হা/২৬৪৮; মিশকাত হা/২২১; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/২১০। তাহক্বীক্ব : হাদীসটি জাল।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মুমিন কখনও ইলম শ্রবণে তৃপ্তি লাভ করে না, যতক্ষণ না সে তার প্রতিদানে জান্নাত পায়।
যঈফ তিরমিযী হা/২৬৮৬। তাহক্বীক্ব : যঈফ।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমার পক্ষ হতে হাদীস বর্ণনার ব্যাপারে সতর্ক হবে, যে পর্যন্ত না তা তোমরা আমার বলে জানবে। কারণ যে ব্যক্তি আমার প্রতি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন তার স্থান জাহান্নামে করে নেয়।
যইফ তিরমিযী হা/২৯৫১ তাহক্বীক্ব : যঈফ।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোরআন সম্পর্কে নিজের মনমত কোন কথা বলবে, সে যেন তার স্থান জাহান্নামে করে নেয়।
যইফ তিরমিযী হা/২৯৫১ তাহক্বীক্ব : যঈফ।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোরআনের ব্যাপারে নিজের মত অনুযায়ী কোন কথা বলবে, আর তাতে যদি সে সত্যও বলে, তবুও সে ভুল করবে।
যইফ তিরমিযী হা/২৯৫২; আবুদাউদ হা/৩৬৫২; যইফুল জামে' হা/৫৭৩৬ তাহক্বীক্ব : যঈফ।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কোরআন সাত হরফে নাজিল হয়েছে। তার প্রত্যেক আয়াতের একটি বাইরের ও একটি ভিতর দিক রয়েছে; প্রত্যেক দিকেরই একটি হদ রয়েছে, আর প্রত্যেক হদেরই একটি অবগতি স্থান রয়েছে।
সিলসিলা যইফাহ হা/২৯৬৯; যইফুল জামে' হা/১৩৩৮ তাহক্বীক্ব : যঈফ।