১/২৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১০৪ - মুসলিমের কল্যাণ কামনা
সদুপদেশই দীন
প্রত্যেক মুসলিমের কল্যাণ কামনার বাইআত
সহীহ মুসলিম : ১০৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১০৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلاَقَةَ، سَمِعَ جَرِيرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ بَايَعْتُ النَّبِيَّ ﷺ عَلَى النُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ .
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি প্রত্যেক মুসলিমের কল্যাণ করার শর্তে নবী (ﷺ)-এর নিকট বাই’আত করেছি।
[৩৪] সালাত ও যাকাতকে নির্দিষ্ট করেছেন, শাহাদাতাইনের পরই এর স্থান, আর বাই’য়াত শব্দ ব্যাপক অন্যান্য সকল ‘ইবাদাতের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।ই.ফা. ১০৬; ই.সে. ১০৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ১০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রা.) বলেছেন, তিনি প্রত্যেক মুসলিমের কল্যাণ কামনার শর্তে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নিকট বাইআত করেছেন। এই ছোট বাক্যের মধ্যে বড় শিক্ষা আছে। মুসলিমের কল্যাণ কামনা শুধু সাধারণ সৌজন্য নয়; এটি দীনদার আচরণের অংশ। একজন মুমিন অন্য মুসলিমের ক্ষতি চায় না, বরং তার জন্য ভালো চায়। নসিহত, সাহায্য, সৎ পরামর্শ এবং আন্তরিক আচরণ—সবই এই কল্যাণ কামনার মধ্যে পড়ে, যতটুকু হাদিসের মূল কথার সঙ্গে মেলে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, মুসলিম সমাজে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত কল্যাণ, আন্তরিকতা ও ভালো চাওয়া। নিজের ইবাদতের পাশাপাশি অন্যের ভালো কামনাও গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রত্যেক মুসলিমের কল্যাণ কামনা করা গুরুত্বপূর্ণ।
- বাইআতের মধ্যে নসিহত ও আন্তরিকতার শিক্ষা এসেছে।
- মুসলিমের ক্ষতি নয়, ভালো চাওয়া মুমিনের গুণ।
- সৎ পরামর্শ ও আন্তরিক আচরণ সমাজকে সুন্দর করে।
