৫/৩২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১২৮৫ - গরম কমে গেলে সালাত
জামা‘আতে রওনাকারীর জন্য পথিমধ্যে তীব্র গ্রীস্মের সময় তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে যুহর আদায় করা মুস্তাহাব
গরম কমে গেলে যুহরের সালাত
সহীহ মুসলিম : ১২৮৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১২৮৫
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " إِنَّ هَذَا الْحَرَّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ فَأَبْرِدُوا بِالصَّلاَةِ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ এ (প্রচণ্ডতা) গরম জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়া থেকেই উৎপন্ন হয়ে থাকে। সুতরাং তোমরা (যুহরের) সালাত দেরি করে (গরম কমে গেলে) আদায় কর।
ই.ফা.১২৭২, ই.সে.১২৮৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ১২৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, এই প্রচণ্ড গরম জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়া থেকেই উৎপন্ন হয়। সুতরাং তোমরা যুহরের সালাত দেরি করে, গরম কমে গেলে আদায় কর। বর্ণনাটি খুব সরাসরি। এখানে দুটি বিষয় এসেছে: এক, গরমের তীব্রতার সঙ্গে জাহান্নামের উত্তাপের সম্পর্ক; দুই, প্রচণ্ড গরমে যুহর সালাত কিছুটা দেরি করে পড়ার নির্দেশ। হাদিসটি বুঝতে হলে খেয়াল রাখতে হবে, এখানে সালাত বাদ দেওয়ার কথা নেই; বরং ওয়াক্তের ভেতরে থেকে গরমের কষ্ট কমলে আদায়ের কথা বলা হয়েছে। যারা গরমে নামাজের সময়, যুহরের ওয়াক্ত এবং সালাতের সহজতা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস খুব প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রচণ্ড গরমে যুহর গরম কমলে আদায়ের শিক্ষা এসেছে।
- গরমের তীব্রতা সম্পর্কে জাহান্নামের উত্তাপের কথা বলা হয়েছে।
- সালাত ওয়াক্তের মধ্যে আদায় করতে হবে।
- ইসলামের নির্দেশনা মানুষের কষ্টের অবস্থাকেও বিবেচনা করে।
