১/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৬ - হালাল হারাম ও জান্নাত
যে ঈমানের বদৌলত জান্নাতে পাওয়া যাবে এবং যে ব্যক্তি (আল্লাহর) নির্দেশকে আঁকড়ে ধরবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে
হালাল-হারাম মানা ও ফরজ সালাতের গুরুত্ব
সহীহ মুসলিম : ১৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ - وَاللَّفْظُ لأَبِي كُرَيْبٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ أَتَى النَّبِيَّ ﷺ النُّعْمَانُ بْنُ قَوْقَلٍ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِذَا صَلَّيْتُ الْمَكْتُوبَةَ وَحَرَّمْتُ الْحَرَامَ وَأَحْلَلْتُ الْحَلاَلَ أَأَدْخُلُ الْجَنَّةَ فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ «نَعَمْ».
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নু‘মান ইবনু কাওকাল (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেনঃ হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি বলুন, যদি আমি হারামকে জেনে বর্জন করি এবং হালালকে হালাল বলে গ্রহণ করি তাহলে আমি কি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবো? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘হ্যাঁ’।
ই.ফা. ১৬; ই.সে. ১৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নু‘মান ইবন কাওকাল (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে জানতে চান, যদি তিনি ফরজ সালাত আদায় করেন, হারামকে হারাম জেনে বর্জন করেন এবং হালালকে হালাল বলে গ্রহণ করেন, তাহলে কি তিনি জান্নাতে প্রবেশ করবেন? নবী (صلى الله عليه وسلم) সংক্ষিপ্তভাবে বলেন—হ্যাঁ। এখানে বড় শিক্ষা হলো, ইসলামে হালাল ও হারামের সীমা মানা শুধু বাহ্যিক নিয়ম নয়; এটি বান্দার আনুগত্যের অংশ। ফরজ সালাত আদায় করা এবং আল্লাহ যে জিনিস হালাল করেছেন তা হালাল জানা, আর যা হারাম করেছেন তা হারাম জানা—এগুলো ঈমানি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দিক। হাদিসটি সহজ ভাষায় জান্নাতের আশার জন্য বাধ্যতামূলক আমল ও আল্লাহর সীমা মানার গুরুত্ব দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফরজ সালাত নিয়মিত আদায় করা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
- হারামকে হারাম জেনে তা বর্জন করা ঈমানি আনুগত্য।
- হালালকে হালাল জানা আল্লাহর বিধান মেনে নেওয়ার অংশ।
- জান্নাতের আশা আল্লাহর সীমা মানার সাথে যুক্ত।
