৮/১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৪৪ - শ্রমজীবীদের জুমার গোসল
জুমু‘আর দিনে প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত পুরুষের ওপর গোসল করা ওয়াজিব প্রসঙ্গে এবং এ সম্পর্কে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে
শ্রমজীবীদের জন্য জুমার গোসলের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ১৮৪৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৮৪৪
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ النَّاسُ أَهْلَ عَمَلٍ وَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ كُفَاةٌ فَكَانُوا يَكُونُ لَهُمْ تَفَلٌ فَقِيلَ لَهُمْ لَوِ اغْتَسَلْتُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
লোকজন ছিল শ্রমজীবী। তাদের কাজের জন্য বিকল্প লোক ছিল না। তাদের (ঘর্মাক্ত) দেহে দুর্গন্ধ ছড়াত। তাই তাদের বলা হল, তোমরা যদি জুমু‘আর দিন গোসল করতে!
ই.ফা. ১৮২৯, ই.সে. ১৮৩৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) মানুষের কাজের অবস্থা উল্লেখ করেছেন। লোকজন শ্রমজীবী ছিল, তাদের কাজের জন্য বিকল্প লোক ছিল না। কাজের কারণে তাদের শরীরে ঘাম হতো এবং দেহে দুর্গন্ধ ছড়াত। তাই তাদের বলা হলো, তোমরা যদি জুমার দিন গোসল করতে! এই হাদিসের মূল বিষয় হলো জুমার গোসল এবং পরিচ্ছন্নতা। এখানে শ্রমজীবী মানুষের বাস্তব কষ্টও বোঝা যায়—তারা কাজ করত, ব্যস্ত থাকত, তবু জুমার সালাতে আসত। নবী صلى الله عليه وسلم-এর শিক্ষায় মানুষকে পরিষ্কার হয়ে আসার দিকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে, যাতে জমায়েতে অন্যরা কষ্ট না পায়। হাদিসটি বিশেষভাবে তাদের জন্য প্রাসঙ্গিক, যারা কাজের পর সরাসরি মসজিদে যান। এতে জুমার দিনের আদব সহজভাবে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাজের কারণে ঘাম হলে জুমার আগে পরিচ্ছন্ন হওয়া দরকার।
- জুমার জমায়েতে অন্যদের কষ্ট না দেওয়ার শিক্ষা আছে।
- শ্রমজীবী মানুষের বাস্তব অবস্থাও হাদিসে তুলে ধরা হয়েছে।
- জুমার দিনে গোসলের প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।
