৮/৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৭০ - জুমার আগে মসজিদে যাওয়ার মর্যাদা
জুমু‘আর দিনে (সলাত) প্রস্তুতির ফাযীলাত
জুমার আগে মসজিদে যাওয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ
সহীহ মুসলিম : ১৮৭০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৮৭০
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ بِمِثْلِهِ .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ই.ফা.১৮৫৫, ই.সে.১৮৬২
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৭০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি আগের অর্থের অনুরূপ। এতে জুমার সালাতে আগে উপস্থিত হওয়ার গুরুত্বই মূলভাবে বোঝানো হয়েছে। জুমার দিনে মসজিদের দরজায় ফেরেশতারা আগমনকারীদের নাম লিখেন—এই বিষয়টি মুসল্লির মনে সময়ের মূল্য জাগায়। ইমাম যখন খুতবার জন্য বসেন, তখন নথি গুটিয়ে নেওয়া হয়। তাই খুতবার সময় এসে শুধু নামাজ পাওয়া গেলেই হলো—এমন ভাবনা এই হাদিসের শিক্ষার সঙ্গে মিল রাখে না। জুমার দিনের ফজিলত পেতে হলে আগে থেকে প্রস্তুতি, মসজিদে আগমন, খুতবা শোনা এবং সালাতে অংশ নেওয়া—সবকিছুর মূল্য আছে। এই হাদিস আমাদের শেখায়, জুমার দিনকে পরিকল্পনা করে কাটাতে হবে, যাতে খুতবা শুরু হওয়ার আগেই মসজিদে উপস্থিত হওয়া যায় এবং আল্লাহর স্মরণে মন দেওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার দিনে আগেভাগে মসজিদে যাওয়ার গুরুত্ব আছে।
- খুতবা শুরু হলে ফেরেশতাদের নথি গুটিয়ে নেওয়ার কথা এসেছে।
- জুমার খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব।
- জুমার প্রস্তুতিতে সময়ের গুরুত্ব বুঝে চলা উচিত।
