৮/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৭৮ - জুমা শেষে ছায়ার অবস্থা ও সময়
পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলে পড়ার সময় জুমু‘আর সলাত প্রসঙ্গে
জুমার সালাত শেষে ছায়ার অবস্থা থেকে সময়ের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ১৮৭৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৮৭৮
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ إِيَاسِ بْنِ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْجُمُعَةَ فَنَرْجِعُ وَمَا نَجِدُ لِلْحِيطَانِ فَيْئًا نَسْتَظِلُّ بِهِ .
সালামাহ ইবনুল আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে জুমু‘আর সালাত আদায়ের পর যখন ফিরে আসতাম তখন আমাদের ছায়া গ্রহণের উপযোগী প্রাচীরের কোন ছায়া পড়ত না (অর্থাৎ সূর্য ঢলে যাওয়ার পরপরই সালাত আদায় করা হত)।
ই.ফা.১৮৬৩, ই.সে.১৮৭০
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৭৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জুমার সালাতের সময় বোঝাতে খুব বাস্তব একটি বর্ণনা এসেছে। সাহাবী বলেন, তারা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে জুমার সালাত আদায় করে ফিরতেন, তখন এমন কোনো প্রাচীরের ছায়া পেতেন না যার নিচে আশ্রয় নেওয়া যায়। অনুবাদে ব্যাখ্যা করা হয়েছে—অর্থাৎ সূর্য ঢলে যাওয়ার পরপরই সালাত আদায় করা হতো। এখানে মূল শিক্ষা জুমার সময়ের সঙ্গে যুক্ত। সাহাবীরা সময়ের হিসাব শুধু ঘড়ি দিয়ে নয়, দিনের আলো-ছায়ার অবস্থার মাধ্যমেও বুঝতেন। হাদিসটি দেখায়, জুমার সালাত দেরি করে দিনের অনেক পরে করা হয়নি; বরং সূর্য ঢলার কাছাকাছি সময়েই আদায় করা হয়েছে। জুমার দিনের পরিকল্পনায় সময়ের গুরুত্ব তাই খুব স্পষ্ট।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার সালাতের সময় বোঝাতে ছায়ার অবস্থার কথা এসেছে।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে সাহাবীরা সময়মতো জুমা আদায় করতেন।
- সালাত শেষে আশ্রয়যোগ্য ছায়া না থাকার কথা সময়ের ইঙ্গিত দেয়।
- জুমার দিনের প্রস্তুতি আগে থেকে নেওয়া উচিত।
