১১/৬. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ২০০২ - গ্রহণে জিকর দোয়া ও ইস্তিগফার

সূর্যগ্রহণের সলাতের জন্য আহবান করা এবং “আস্‌সলা-তু জা-মি‘আহ্‌” (সলাতের জামা‘আত) বলা প্রসঙ্গে

গ্রহণে জিকর, দোয়া ও ইস্তিগফার

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২০০২

حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الأَشْعَرِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَرَّادٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ بُرَيْدٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ خَسَفَتِ الشَّمْسُ فِي زَمَنِ النَّبِيِّ ﷺ فَقَامَ فَزِعًا يَخْشَى أَنْ تَكُونَ السَّاعَةُ حَتَّى أَتَى الْمَسْجِدَ فَقَامَ يُصَلِّي بِأَطْوَلِ قِيَامٍ وَرُكُوعٍ وَسُجُودٍ مَا رَأَيْتُهُ يَفْعَلُهُ فِي صَلاَةٍ قَطُّ ثُمَّ قَالَ " إِنَّ هَذِهِ الآيَاتِ الَّتِي يُرْسِلُ اللَّهُ لاَ تَكُونُ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلاَ لِحَيَاتِهِ وَلَكِنَّ اللَّهَ يُرْسِلُهَا يُخَوِّفُ بِهَا عِبَادَهُ فَإِذَا رَأَيْتُمْ مِنْهَا شَيْئًا فَافْزَعُوا إِلَى ذِكْرِهِ وَدُعَائِهِ وَاسْتِغْفَارِهِ».وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ الْعَلاَءِ كَسَفَتِ الشَّمْسُ وَقَالَ " يُخَوِّفُ عِبَادَهُ " .

আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) এর যামানায় একবার সূর্যগ্রহণ লাগল। তিনি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে দাঁড়ালেন। (রাবীর ধারণা) তিনি কিয়ামত হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন। অবশেষে তিনি মসজিদে এসে সালাতে দাঁড়ালেন এবং সবচেয়ে লম্বা ক্বিয়াম, লম্বা রুকূ’, লম্বা সাজদাহ্‌ সহকারে সালাত আদায় করতে লাগলেন। আমি কখনও কোন সালাত তাঁকে (ﷺ) এত লম্বা করতে দেখিনি।সালাত শেষ করে তিনি (ﷺ) বললেন, এসব নিদর্শনাবলী যা যা আল্লাহ জগতে পাঠান। কোন ব্যক্তির মৃত্যু বা জীবনের কারণেই অবশ্যই তা হয় না। বরং আল্লাহ এগুলো পাঠিয়ে বান্দাদের সতর্ক করেন। অতএব তোমরা যখন এমন কিছু দেখতে পাও, তখন তোমরা ভীত হয়ে আল্লাহর যিক্‌র, দোয়া ও ইস্‌তিগফারে মশগুল হও।ইবনু ‘আলা এর বর্ণনায় রয়েছেঃ সূর্যগ্রহণের সময় এবং তিনি বলেন, বান্দাদের সতর্ক করার জন্য।

ই.ফা. ১৯৮৬, ই.সে. ১৯৯৩

সহীহ মুসলিম হাদিস ২০০২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সূর্যগ্রহণের সময় নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর গভীর ভয়, দীর্ঘ সালাত এবং আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার শিক্ষা এসেছে। আবু মূসা (রাঃ) বলেন, সূর্যগ্রহণ হলে নবী (صلى الله عليه وسلم) ভীত হয়ে দাঁড়ালেন। রাবীর ধারণা, তিনি কেয়ামত হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন। এরপর তিনি মসজিদে এসে এত দীর্ঘ কিয়াম, রুকু ও সিজদা করলেন, যা আবু মূসা (রাঃ) অন্য কোনো সালাতে দেখেননি। সালাত শেষে নবী (صلى الله عليه وسلم) জানালেন, এই নিদর্শনগুলো কারো মৃত্যু বা জীবনের কারণে নয়। আল্লাহ এগুলো পাঠিয়ে বান্দাদের সতর্ক করেন। তাই এমন কিছু দেখলে আল্লাহর জিকর, দোয়া ও ইস্তিগফারে মন দিতে হবে। এই হাদিস গ্রহণকে শুধু দেখার ঘটনা নয়, বরং আত্মসমালোচনা, তাওবা এবং আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার সময় হিসেবে দেখায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • গ্রহণ আল্লাহর নিদর্শন এবং বান্দাদের জন্য সতর্কতার কারণ।
  • গ্রহণ কারো মৃত্যু বা জীবনের কারণে হয় না।
  • গ্রহণ দেখলে জিকর, দোয়া ও ইস্তিগফারে মগ্ন হওয়ার নির্দেশ এসেছে।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم) গ্রহণের সময় খুব দীর্ঘ সালাত আদায় করেছেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন