১৩/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২১৮৪ - যাকাত শাস্তির শব্দভেদ
যাকাত আদায় করতে বাধাদানকারীর অপরাধ
যাকাত না দেওয়ার বর্ণনায় শব্দের পার্থক্য
সহীহ মুসলিম : ২১৮৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২১৮৪
وَحَدَّثَنِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَزِيعٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا سُهَيْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ بَدَلَ عَقْصَاءُ عَضْبَاءُ وَقَالَ " فَيُكْوَى بِهَا جَنْبُهُ وَظَهْرُهُ " . وَلَمْ يَذْكُرْ جَبِينُهُ
সুহায়ল ইবনু আবূ সালিহ (রহঃ) থেকে এ সূত্র হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি عَقْصَاءُ এর স্থলে عَضْبَاءُ বলেছেন এবং ললাটে দাগ দেয়ার কথা উল্লেখ করা ছাড়া কেবল "পার্শ্ব এবং পার্শ্ব দাগ দেয়া হবে" কথাটি উল্লেখ করেছেন।
ই.ফা. ২১৬৩, ই.সে. ২১৬৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ২১৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের অনুরূপ বর্ণনার সঙ্গে কিছু শব্দভেদের কথা বলা হয়েছে। এখানে عَقْصَاءُ এর স্থলে عَضْبَاءُ বলা হয়েছে এবং সোনা-রূপা গরম করে দাগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কপালের কথা বাদ দিয়ে পার্শ্ব ও পিঠে দাগ দেওয়ার কথা উল্লেখ হয়েছে। মূল শিক্ষা আগের বর্ণনার মতোই: যাকাত ও সম্পদের হক আদায় না করলে কিয়ামতের কঠিন জবাবদিহি আছে। তবে এই হাদিসের বিশেষ দিক হলো, রাবীরা একই অর্থের বর্ণনায় শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্যও সংরক্ষণ করেছেন। তাই পাঠকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো মূল বার্তাটি বোঝা—সম্পদের হক অবহেলা করা যাবে না। একই সঙ্গে হাদিসের ভাষা নিয়ে সতর্ক থাকা দরকার; যেখানে যে শব্দ এসেছে, ব্যাখ্যায় সেটিই বলা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যাকাত না দেওয়ার সতর্কতা অনুরূপভাবে পুনরায় এসেছে।
- হাদিসের শব্দভেদ সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা বর্ণনার যত্ন বোঝায়।
- সম্পদের হক আদায় না করলে কিয়ামতের হিসাব কঠিন হতে পারে।
- ব্যাখ্যায় হাদিসের নির্দিষ্ট শব্দ ও সীমা মানা জরুরি।
