১৩/২২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২২৪৭ - দুগ্ধবতী উষ্ট্রী দানের সওয়াব
দুগ্ধবতী জন্তু বিনামূল্যে দান করার ফাযীলাত
দুগ্ধবতী উষ্ট্রী দানের বড় সওয়াব
সহীহ মুসলিম : ২২৪৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২২৪৭
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَبْلُغُ بِهِ " أَلاَ رَجُلٌ يَمْنَحُ أَهْلَ بَيْتٍ نَاقَةً تَغْدُو بِعُسٍّ وَتَرُوحُ بِعُسٍّ إِنَّ أَجْرَهَا لَعَظِيمٌ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
“যে ব্যক্তি কোন পরিবারকে এমন একটি উষ্ট্রী দান করে যা সকাল ও সন্ধ্যা বড় একটি পাত্র ভর্তি দুধ দেয়, এর বিনিময়ে তার অনেক সাওয়াব হয়।”
ই.ফা. ২২২৬, ই.সে.২২২৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ২২৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মানীহা বা দুধ পানের জন্য দুগ্ধবতী উষ্ট্রী দানের ফজিলত বলা হয়েছে। কোনো পরিবারকে এমন উষ্ট্রী দেওয়া হয়, যা সকাল ও সন্ধ্যায় বড় পাত্র ভরে দুধ দেয়, তাহলে সেই পরিবার নিয়মিত উপকার পায়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সদাকা শুধু টাকা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এমন সম্পদও দান হতে পারে, যার উপকার বারবার মানুষের কাছে পৌঁছে। এই কারণে দুধ দেওয়া উষ্ট্রী দানকে বড় সওয়াবের কাজ বলা হয়েছে। হাদিসের ভাষা থেকে বোঝা যায়, দানের মূল্য শুধু জিনিসের দামে নয়; বরং তা মানুষের প্রয়োজন মেটানো ও নিয়মিত উপকার পৌঁছানোর সাথে জড়িত। তাই দান-সদাকা করার সময় এমন কিছু দেওয়া উত্তম, যা মানুষের জীবনে বাস্তব সাহায্য আনে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মানুষের নিয়মিত উপকারে আসে এমন দান বড় সওয়াবের কারণ হতে পারে।
- সদাকা শুধু নগদ অর্থ নয়; উপকারী সম্পদ দানও সদাকার অন্তর্ভুক্ত।
- একটি পরিবারের প্রয়োজন মেটানো ইসলামে প্রশংসিত কাজ।
- দান করার সময় উপকারের স্থায়িত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করা ভালো।
