১৩/২৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২২৫৫ - স্বামীর খাদ্যশস্য থেকে দান
আমানাতদার কোষাধ্যক্ষ ও স্ত্রী লোকের সদাক্বায় সাওয়াব হওয়া সম্পর্কে, স্ত্রী স্বামীর প্রকাশ্য অনুমতি সাপেক্ষে অথবা প্রচলিত প্রথামত স্বামীর সম্পদ থেকে দান করলে সে তার সাওয়াব পাবে
স্বামীর খাদ্যশস্য থেকে দানের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ২২৫৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২২৫৫
وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ مَنْصُورٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ «مِنْ طَعَامِ زَوْجِهَا " .
মানসূর (রহঃ)-এর সূত্র হতে বর্ণিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে “তার ঘরে খাদ্যশস্যের” পরিবর্তে তার “স্বামীর খাদ্যশস্যের” কথা উল্লেখ আছে।
ই.ফা. ২২৩৪, ই.সে.২২৩৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ২২৫৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার অনুরূপ, তবে এখানে “তার ঘরের খাদ্য” না বলে “তার স্বামীর খাদ্যশস্য” কথাটি এসেছে। এই ছোট পার্থক্য মূল শিক্ষাকে আরও স্পষ্ট করে। স্ত্রী যদি ক্ষতির মনোভাব না নিয়ে স্বামীর খাদ্যশস্য থেকে দান করে, তাহলে দানের কাজে তার অংশ থাকে এবং স্বামীরও উপার্জনের কারণে সওয়াব থাকে। হাদিসের মূল বিষয় হলো, ঘরের সম্পদ থেকে দান করার সময় দায়িত্বশীল থাকা। দান ভালো কাজ, কিন্তু তা যেন নষ্ট করা, অপচয় করা বা ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে না হয়। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, ঘরের সম্পদ ব্যবহারে আমানতদারি দরকার। একই সঙ্গে ভালো কাজে পরিবারের ভেতর একাধিক মানুষ সওয়াব পেতে পারে। তাই দান করার ক্ষেত্রে সদিচ্ছা, সঠিক ব্যবহার ও ঘরের অধিকার রক্ষা—এই তিনটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্বামীর খাদ্যশস্য থেকে দানের ক্ষেত্রে ক্ষতির মনোভাব থাকা যাবে না।
- ঘরের সম্পদ ব্যবহারে আমানতদারি জরুরি।
- দানের কাজে দানকারী ও উপার্জনকারী উভয়ের অংশ থাকতে পারে।
- ভালো কাজের জন্য দায়িত্বশীল ব্যবহার দরকার।
